
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, কোনো এক বাড়িতে খাটের উপরে অন্য এক জনের সহায়তায় ইয়াবা সেবন করছে যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান তালুকদার। সে অন্য সহযোগী স্মাট ফোনের ফ্ল্যাশলাইট জ্বালিয়ে সহযোগিতা করছে। তাকে যে সহযোগিতা করছে তার নাম জুয়েল শেখ। তিনিও গান্ধাইল ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক।
এদিকে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা বলছে, তিন বছর যাবত ওই ইউনিয়নে দায়িত্বে থাকা অবস্থায় জিয়াউর রহমান তালুকদারের বিরুদ্ধে মাদক সেবনের নানা অভিযোগ রয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে কেউ মুখ খুলতে সাহস পায়নি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম (ফেসবুকে) ছড়িয়ে পড়ার পর থেকে যুবলীগ নেতা জিয়াউর রহমান তালুকদারের মুঠোফোনটি বন্ধ রয়েছে।
কাজিপুর উপজেলা যুবলীগের সভাপতি বিপ্লব সরকার বলেন, ফেসবুকে মাদক সেবনের ছবিটি ছড়িয়ে পড়ার পর আমি ফেসবুকে বিষয়টি অবগত হয়। পরে তাকে কারণ দর্শানো জবাব চেয়ে দলীয় সকল কর্মকান্ড থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়েছে।
তিনি আরো বলেন, জিয়াউর রহমান তালুকদার বিভিন্নভাবে স্থানে মাদক সেবন ও সরবরাহ করার বাঁধা দেয় উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক পারভেজ আহমেদসহ এলাকাবাসী। এই কারণে গত বৃহস্পতিবার (১৭ নভেম্বর) দুপুরে কাজিপুর উপজেলা পরিষদ এলাকায় কুয়াশা হোটেলের সামনে পারভেজ আহমেদকে মারপিট করে আহত করে জিয়াউর রহমান তালুকদার।
এই ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে পারভেজ আহমেদের ছোট ভাই মো. শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাজিপুর থানায় জিয়াউর রহমান তালুকদারসহ ৩ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা দায়ের করেছে।
কাজিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল কুমার দত্ত জানান, উপজেলা যুবলীগের নেতা পারভেজের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। তাকে মারপিট করা হয়েছে বলে অভিযোগ পেয়েছি। এ ঘটনায় পারভেজের ভাই বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছে।

আরও পড়ুন
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া
আত্রাইয়ে দুই ভ্যানের মুখোমুখি সংঘর্ষে এক গৃহবধূর পা বিচ্ছিন্ন
আড়ানী ডিগ্রি কলেজে ৩১টি নতুন ডেস্কটপ কম্পিউটার প্রদান