
বিপ্লব রহমান: চলতি মৌসুমে বগুড়ার গাবতলীতে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভবনা। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় কৃষকরা সঠিক সময়ে বীজ রোপন, সার, কিটনাশ সঠিকভাবে প্রয়োগ করার ফলে উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নে রোপা আমন ধান গাছ খুব পরিপুষ্ঠ ও সুন্দরভাবে বেড়ে উঠেছে। উপজেলা কৃষি অফিসের দেওয়া প্রাপ্ততথ্য মোতাবেক এবার উপজেলায় ১৭ হাজার ৩শ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্য নির্ধারন করা হয় কিন্তু আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় প্রচুর পরিমান বৃষ্টিপাত না হওয়ায় উচু-নিচু সব জমিতেই রোপা আমন চাষ করা হয়েছে ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে রোপা আমন চাষ হচ্ছে। কাগইল ইউনিয়নের উপসহকারী কর্মকর্তা শাহাদৎ হোসেন জানান, আমরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদী হাসানের নির্দেশনায় প্রতিটি ইউনিয়নে ওয়ার্ড পর্যায়ে সকল কৃষকদের সাথে কৃষি সংক্রান্ত সকল প্রকার পরামর্শ আমরা প্রদান করছি।
সে মোতাবেক কৃষক তাদের জমিতে সঠিক সময়ে সার, কিটনাশক, আগাছা নাশক, নিরানী ও মাঠ পর্যায়ে পাচিং পদ্ধতি ব্যাবহার করে ব্যাপক সফল হচ্ছে। উপসহকারী কৃষিকর্মকর্তা শাহিদা পারভিন জানান, পাচিং পদ্ধতিতে পোকা মাকড় নিধন, ইদুরের উৎপাত বন্ধে জমিতে জমিতে বিষটোফ, আলোক ফাদ ব্যারহার করে ইদুরের উৎপাত কমানো সম্ভব। তিনি আরো জানান, উপজেলায় এবার হাইব্রীড ধানী গোল্ড,হাইব্রীড শক্তি, ব্রী-৪৯, ব্রী-৫১,ব্রী-৫২, দেশী উপশী, রনজিত, নেপালী স্বর্ণা,গুটি স্বর্নাসহ স্থানীয় দেশী প্রজাতি ধানের চাষ করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য আনছার আলী ভোলা জানান, অত্র ইউনিয়নের কৃষকগন সঠিক সময়ে রাসানিক সার পাওয়ায় সেগুলো কৃষি কর্মকর্তাদের সাথে পরামর্শ করে জমিতে প্রয়োগের ফলে ধান চাষ ভাল হয়েছে। কাগইল ইউনিয়নের তেলকুপি গ্রামের কৃষক আনছার আলী ,কৃষক মশিউর রহমান, আলমগীর হোসেন, শাহজাহান আলী, বাদশা মিয়া জানান আবহাওয়া যদি শেষ পর্যন্ত অনুকুলে থাকে এবং বড় ধরনের প্রকৃতিক বিপর্যয় না হয় তবে তারা এবার হাইব্রীড ধানী গোল্ড ধান চাষ করে ব্যাপক সফলতা পেতে পারে।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান