
যশোর সদর উপজেলার রামনগর মধ্যপাড়ার বাসিন্দা ইমামুল মামলায় উল্লেখ করেন, তিনি পেশায় ভ্যানচালক। মেয়ে জান্নাতিকে গত বছর ১০ অক্টোবর ফয়সালের সাথে বিয়ে দেন। বিয়ের সময় ফয়সালকে মোবাইল ও একটি সোনার আংটি দেয়া হয়। বিয়ের পর থেকে ফয়সাল তার মেয়ের কাছে যৌতুক দাবি করেন। এজন্য তাকে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করা হতো। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি দুপুরে নিজ ঘরে জানালা দরজা বন্ধ করে জান্নাতির দুই হাত ও দুই পা বেঁধে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন ফয়সাল।
তাহার আত্মচিৎকারে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। তার অবস্থা খুব খারাপ থাকায় ডাক্তার তাকে ঢাকায় রেফার করেন। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি দুপর ১২টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জান্নাতির মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে,কোতোয়ালি থানার এসআই মহিউদ্দিন বলেন, স্ত্রীকে আগুনে পুড়িয়ে হত্যার অভিযোগে ফয়সালকে আটক করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে থানায় নিয়মিত মামলা হয়েছে।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান