
আব্দুল কাদের, নবাবগঞ্জ (দিনাজপুর) প্রতিনিধিঃ নার্সারি ব্যবসা করে নিজের পরিবারের ভাগ্যের পরিবর্তন ঘটিয়েছেন দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার চড়ারহাট বাজারের মোঃ শাহদত হোসেনের ছেলে মহব্বত আলী বি.এস.সি। সফল উদ্যোক্তা হিসেবে সবার পরিচিত মুখ তিনি। একসময়ে অর্থকষ্টের মধ্য দিয়ে জীবন যাপন করলেও এখন স্ত্রী ও ছেলেমেয়ে নিয়ে সচ্ছলভাবে জীবন যাপন করছেন মহব্বত আলী।
উপজেলার চড়ারহাট বাজারের পাশে ৮ বিঘা জমিতে তিনি গড়ে তুলেছেন ৫০০ প্রজাতির দেশি–বিদেশি গাছের বিশাল ভান্ডার। তবে থেমে নেই জাতসংগ্রহ। সংগ্রহে নেই এমন কোনো গাছের নাম শুনলেই তিনি ছুটে যান, সংগ্রহ করে আনেন চারা।
মহব্বত আলী একসময় কাপড়ের ব্যবসা করতেন। কাপড়ের ব্যবসায় লাভবান না হওয়ায় ২০০২ সালে সাড়ে চার বিঘা জমি লিজ নিয়ে অল্প পরিসরে গাছের চারা সংগ্রহ করে ছোট আকারে নার্সারি শুরু করেন তিনি। এরপর আর মহব্বত আলীকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। নাম দেন মমু নার্সারি। এখন বাণিজ্যিকভাবে সফলতাও পাচ্ছেন তিনি।
অনেকেই মুগ্ধ হয়েছেন তার হাতে গড়া সবুজের সমারোহ দেখে। আবার কেউ কেউ মহব্বত আলীর মতো নার্সারি করে স্বাবলম্বী হওয়ার চেষ্টা ও করছেন। অনেক ক্ষুদ্র ও মাঝারি ব্যবসায়ী তার কাছ থেকে চারা সংগ্রহ করে বিক্রি করছেন স্থানীয় হাটবাজারে।
মহব্বত আলী জানান, প্রথম দিকে অনেক শ্রম দিতে হয়েছে নার্সারির পেছনে। অভিজ্ঞতার কারণে এখন আর খুব বেশি চিন্তা করতে হয় না। সংসারে এখন কোনো অভাব নেই। একসময়ের অভাব-অনটনের সংসারে ফিরে এসেছে আর্থিক সচ্ছতা। মহান আল্লাহর দরবারে শুকরিয়া আদায় করে বলেন, যা চেয়েছি তার চেয়ে বেশি পেয়েছি। বর্তমানে তাঁর নার্সারিতে দৈনিক ৫/৭ জন শ্রমিক কাজ করেন। পাশাপাশি তাঁর স্ত্রী ও মেয়ে তাঁকে সহযোগিতা করেন।
তিনি আরও বলেন, নার্সারির পাশাপাশি আমার এখানে পাওয়া যায় জিয়া তারের নেট, রিং স্লাফ , সিমেন্টের খুটি, সিমেন্টের টব, উন্নত মানের ইট বালি, কয়লা, এছাড়াও আমার এখানে বন্ধু চুলা ও বিভিন্ন জাতের চারা ফ্রি তে বিতরণ করা হয়।

আরও পড়ুন
সিরাজগঞ্জে বাসচাপায় স্বামী-স্ত্রীসহ নিহত ৩
‘বাড়ি জামালপুরে’—এটুকুই মনে আছে; পরিচয়হীন অসহায় নারী খুঁজছেন স্বজনদের
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত