
রবিউল হাসান লায়ন: জামালপুরে ১৫টি ইউনিয়নে ফলাফল ঘোষনা হয়েছে। এর মধ্য ৫টি ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হয়। বাকী ১০ টি ইউনিয়নের নৌকার ৬টি ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়।
জামালপুরে ৬টিতে নৌকা ও ৪টিতে বিদ্রোহী পার্থী জামালপুরে ১৫টি ইউনিয়নে ফলাফল ঘোষনা হয়েছে। এর মধ্য ৫টি ইউনিয়নের বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নৌকার প্রার্থীরা জয়ী হয়। বাকী ১০ টি ইউনিয়নের নৌকার ৬টি ও বিদ্রোহী প্রার্থীরা জয়ী হয়।
কেন্দুয়া ইউনিয়নের মোঃ সাইফুল ইসলাম খান আনারস প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ১৬৭, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শেখ মাহাবুবুর রহমান মঞ্জু (নৌকা) ৪ হাজার ৮৮৫। শরীফপুর ইউনিয়নে মোঃ রফিকুল ইসলাম আলম নৌকা নিয়ে ১৬ হাজার ৯১৯ নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি রফিকুল ইসলাম লিটন অটো-রিক্সা প্রতীকে ৪ হাজার ২৬৩ ভোট।
লক্ষীরচর ইউনিয়নে মনিরুজ্জামান মনির আনারস প্রতিক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫ হাজার ৬২৫। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি আফজাল হোসেন বিদ্যুৎ ৪ হাজার ৮৯৮। তুলশিরচর ইউনিয়নে শহিদুল্লাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ০৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মমিনুল হক আনারস ৮ হাজার ৫০৪ ভোট।
নরুন্দি ইউনিয়নে লুৎফর রহমান নৌকা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৩২১ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ আলা উদ্দিন খান আলম মোটর সাইকেল ৫ হাজার ১০৩ ভোট। ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে গোলাম কিবিরিয়া ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৬ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি জিয়াউর রহমান তালুকদার আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯১ ভোট।
শ্রীপুর ইউনিয়নে মোঃ আজিজুল হক নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৮০ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ রফিক উল আলম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬০ ভোট। শাহাবাজপুর ইউনিয়নে মোঃ আইয়ুব আলী খান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ রফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ২৪৬ ভোট।
তিতপল্যা ইউনিয়নের আলহাজ্ব মোঃ আজিজুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ২১৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি হারুনুর রশীদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৪৭ ভোট। মেষ্টা ইউনিয়নে আলহাজ্ব মোঃ নাজমুল হক বাবু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৩ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ এমদাদুল ইসলাম খান অংকন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮৮ ভোট।
২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭ শত ৫৫ জন। যার মধ্যে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭ শত ৫৪ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৪ হজার ১ জন নারী । ১৩৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে সংরক্ষিত ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৫ টি।১৬৩ টি ভোট কেন্দ্রের মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ১০১২ টি। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১০ টি ইউনিয়নে ৪০ জন ভোটে অংশগ্রহন করে। বাকী ৫ টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ইউনিয়ন গুলো হলো রানাগাছা, দিগপাইত, ইটাইল, রশিদপুর, বাশচড়া ইউনিয়ন। এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৪২ জন প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা পদে ১৮৪ জন প্রার্থী ভোটে অংশগ্রহন করে। মোঃ সাইফুল ইসলাম খান আনারস প্রতীক নিয়ে ১৬ হাজার ১৬৭, তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি শেখ মাহাবুবুর রহমান মঞ্জু (নৌকা) ৪ হাজার ৮৮৫।
শরীফপুর ইউনিয়নে মোঃ রফিকুল ইসলাম আলম নৌকা নিয়ে ১৬ হাজার ৯১৯ নির্বাচিত হয়েছেন, তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি রফিকুল ইসলাম লিটন অটো-রিক্সা প্রতীকে ৪ হাজার ২৬৩ ভোট। লক্ষীরচর ইউনিয়নে মনিরুজ্জামান মনির আনারস প্রতিক নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৫ হাজার ৬২৫। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি আফজাল হোসেন বিদ্যুৎ ৪ হাজার ৮৯৮।
তুলশিরচর ইউনিয়নে শহিদুল্লাহ নৌকা প্রতীক নিয়ে ৯ হাজার ০৭৪ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মমিনুল হক আনারস ৮ হাজার ৫০৪ ভোট। নরুন্দি ইউনিয়নে লুৎফর রহমান নৌকা নিয়ে ভোট পেয়েছেন ৯ হাজার ৩২১ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ আলা উদ্দিন খান আলম মোটর সাইকেল ৫ হাজার ১০৩ ভোট।
ঘোড়াধাপ ইউনিয়নে গোলাম কিবিরিয়া ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৬৬ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি জিয়াউর রহমান তালুকদার আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৫ হাজার ৬৯১ ভোট। শ্রীপুর ইউনিয়নে মোঃ আজিজুল হক নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৬ হাজার ৭৮০ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোহাম্মদ রফিক উল আলম ঘোড়া প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৩ হাজার ৬৬০ ভোট।
শাহাবাজপুর ইউনিয়নে মোঃ আইয়ুব আলী খান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১২ হাজার ৯৩৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ রফিকুল ইসলাম আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৯ হাজার ২৪৬ ভোট। তিতপল্যা ইউনিয়নের আলহাজ¦ মোঃ আজিজুর রহমান নৌকা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১০ হাজার ২১৭ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি হারুনুর রশীদ আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৮ হাজার ৪৪৭ ভোট।
মেষ্টা ইউনিয়নে আলহাজ¦ মোঃ নাজমুল হক বাবু আনারস প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৭ হাজার ৩৯৩ ভোট। তার নিকতম প্রতিদ্বন্দ্বি মোঃ এমদাদুল ইসলাম খান অংকন মোটরসাইকেল প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ৪ হাজার ৯৮৮ ভোট। ২য় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ লাখ ৭ শত ৫৫ জন। যার মধ্যে ১ লাখ ৯৬ হাজার ৭ শত ৫৪ জন পুরুষ এবং ২ লাখ ৪ হজার ১ জন নারী ।
১৩৫ টি ওয়ার্ডের মধ্যে সংরক্ষিত ওয়ার্ড সংখ্যা ৪৫ টি।১৬৩ টি ভোট কেন্দ্রের মোট ভোট কক্ষের সংখ্যা ১০১২ টি। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১০ টি ইউনিয়নে ৪০ জন ভোটে অংশগ্রহন করে। বাকী ৫ টি ইউনিয়নে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়।
বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় চেয়ারম্যান নির্বাচিত ইউনিয়ন গুলো হলো রানাগাছা, দিগপাইত, ইটাইল, রশিদপুর, বাশচড়া ইউনিয়ন। এ ছাড়া সাধারণ কাউন্সিলর পদে ৫৪২ জন প্রার্থী ও সংরক্ষিত মহিলা পদে ১৮৪ জন প্রার্থী ভোটে অংশগ্রহন করে।

আরও পড়ুন
নওগাঁ সদর থানার অভিযানে সুলতানপুরের কুখ্যাত সন্ত্রাসী খোকন গ্রফতার
কিশোরগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের স্কুল পড়ুয়া ছেলে ট্রাকচাপায় নিহত
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান