
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের নদ-নদী গুলোতে কারেন্ট জালের চেয়েও ভয়ংকর জালের সন্ধান পাওয়া গেছে। নতুন এই ভয়ংকর জালের নাম “রিং জাল”। এই জালে রিং দিয়ে চেম্বার তৈরী করে বিশেষভাবে তৈরি হওয়ায় ছোট-বড় সব ধরনের মাছ এতে আটকা পড়ে। এমনকি চুনো পোনাও রেহাই পায় না এই রিং জাল থেক। ফলে মাছ ধরতে জেলেরা রিং জাল ব্যবহারে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।
উপজেলা মৎস্য কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, রিং জাল একেবারেই নতুন। চীন থেকে আমদানি করা এই জাল মশারির মতো সূক্ষ্ম হওয়ায় এতে বড় মাছ থেকে শুরু করে যেকোনো মাছের পোনা আটকে যায়। কারেন্ট জাল যে উপাদানে তৈরি, এটা অনেকটা সে ধরনের উপাদানে তৈরি। তবে এটি আরও বেশি সূক্ষ্ম ও বিশেষভাবে তৈরি। চলতি মৌসুমে ভৈরব উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদ ও মেঘনা নদীতে রিং জাল দিয়ে মাছ ধরে আসছে কতিপয় অসাধু জেলে। এমন খবরে গত ২৮ আগস্ট শনিবার অভিযান চালিয়ে মেঘনা নদী ও ব্রহ্মপুত্র নদে প্রায় ৪ লক্ষ টাকার রিং জাল জব্দ করে পুড়িয়ে দেয়া হয়।
তাছাড়া নিষিদ্ধ কারেন্টজাল ও রিং জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করার অপরাধে জালসহ ১৮ জেলেকে আটক করা হয়। পরে তাদেরকে ২৭ হাজার ৫শত টাকা জরিমানা করে মুছলেকা আদায় করে মুক্তি দেওয়া হয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জেলে বলেন, বাজারে রিং জাল নতুন এসেছে। কারেন্ট জালে ছোট মাছ ধরা পড়ে না। কিন্তু রিং জালে পোনা মাছ থেকে শুরু করে ছোট-বড় সব মাছই ধরা পড়ে। এ জন্য জেলেরা এ ধরনের জাল দিয়ে মাছ ধরার আগ্রহ বেশী দেখাচ্ছেন।
এবিষয়ে ভৈরব উপজেলা সিনিয়র মৎস কর্মকর্তা লতিফুর রহমান বলেন, বিভিন্ন মাধ্যমে জানতে পেরেছি যে ভৈরবের নদ-নদী গুলোতে রিং জালের ব্যবহার ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অতি শীঘ্রই কারেন্ট জাল ও রিং জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হব। ভৈরব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুবনা ফারজানা বলেন, রিং জাল বাজারে নতুন এসেছে। এ ধরনের জাল মাছের জন্য মারাত্মক হুমকি সৃষ্টি করেছে। এসব জালের বিক্রি ও ব্যবহার ঠেকাতে আমাদের কঠোর নজরদারি থাকবে।’

আরও পড়ুন
শহীদ জিয়ার ৪৫তম শাহাদাৎবার্ষিকী উপলক্ষ্যে সাকিব রাইয়্যানের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কাউখালীতে মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার, ৪০০ গ্রাম গাঁজা উদ্ধার
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল