
আজিজুর রহমান, হাবিপ্রবি প্রতিনিধিঃ দিনাজপুরের হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স এখন ২১। প্রতিবছর বেড়েছে বিভাগ ও শিক্ষার্থীর সংখ্যা। কিন্তু সেই অনুপাতে বাড়েনি শিক্ষক। ফলে বৃদ্ধি পাচ্ছে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত। এতে শিক্ষার মান নিয়ে যেমন তৈরি হয়েছে শঙ্কা, অন্যদিকে বাড়ছে সেশনজট।
শিক্ষার কাঙ্ক্ষিত মান নিশ্চিত করতে বিজ্ঞান-প্রকৌশল-প্রযুক্তি শিক্ষায় ১২ থেকে ১৪ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক, কৃষিশিক্ষায় ১২ থেকে ১৫ শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক এবং কলা-মানবিক-বাণিজ্য শিক্ষায় ১৮ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থীর জন্য একজন শিক্ষক থাকার কথা বলে থাকে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন।
তবে হাবিপ্রবি’র তথ্যানুসারে, বর্তমানে ৯টি অনুষদের অধীনে (পোস্টগ্র্যাজুয়েট সহ) ৪৫টি বিষয়ের ওপর ২৩ টি ডিগ্রি প্রদান করছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। সবমিলে ১১ হাজার শিক্ষার্থীর বিপরীতে শিক্ষক রয়েছেন ৩০৯ জন(বিশ্ববিদ্যালয় ওয়েবসাইট)। এর মধ্যে অর্ধশতাধিক শিক্ষক উচ্চতর ডিগ্রির জন্য দেশের বাহিরে অবস্থান করছেন বলে জানা গেছে।
তবে শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর অনুপাত ১:২০ হওয়ার কথা থাকলেও এখন রয়েছে ১:৩৭(ইউজিসি বার্ষিক প্রতিবেদন)। যা প্রায় দিগুণ। অনুষদ ভিত্তিক দেখলে কয়েকটি অনুষদে তিন/চার গুণ বেশি হবে। এদিকে ২০১৯ সালের শেষে এবং ২০২০ সালে শুরুতে তিনটি নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হলেও তা এখনো সম্পন্ন করতে পারেনি বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এই তিনটি বিজ্ঞপ্তিতে ৫৯ জন শিক্ষক, ২৩ জন কর্মকর্তা ও ১৮ জন কর্মচারি পদে নিয়োগের বিষয়ে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এম. কামরুজ্জামান বলেন, শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যা শিক্ষা-গবেষণায় প্রভাব পরিলক্ষিত হয়। একটি নির্দিষ্ট নিয়মের মধ্যে শিক্ষক নিয়োগ দিতে হয়। করোনার কারণে নিয়োগ কাজ শেষ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে শিক্ষক সংকট নিরসন ও শিক্ষার্থীদের শিক্ষা-গবেষণার মান উন্নয়নে আমার আন্তরিকতার কমতি থাকবে না বলেও জানান তিনি।

আরও পড়ুন
নওগাঁ সদর থানার অভিযানে সুলতানপুরের কুখ্যাত সন্ত্রাসী খোকন গ্রফতার
রাষ্ট্রপতির পদত্যাগ, জল্পনার অবসান, ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ
কিশোরগঞ্জে পুলিশ সদস্যদের স্কুল পড়ুয়া ছেলে ট্রাকচাপায় নিহত