হোম » সারাদেশ » চাঁপাইনবাবগঞ্জে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক মিজান গ্রে’ফ’তা’র

চাঁপাইনবাবগঞ্জে অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে শিক্ষক মিজান গ্রে’ফ’তা’র

মোঃ বিপ্লব হাসান চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
“যে শিক্ষকের হাতে বই থাকার কথা, যার কণ্ঠে থাকার কথা নৈতিকতার পাঠ, যার কাছে অভিভাবকরা নিশ্চিন্তে সন্তানদের ভবিষ্যৎ তুলে দেন,আল্লাহর পরে পিতা মাতা পিতা মাতার পরে শিক্ষকের স্থান এই শিক্ষকের কাছে ছাত্রী নিরাপদ নয়। সেই শিক্ষকের বি’রু’দ্ধে’ই উঠেছে এক শিক্ষার্থীকে ধ’র্ষ’ণে’র গু’রু’ত’র অ’ভি’যো’গ। চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলাকে ঘিরে জেলায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, ধ’র্ষ’ণে’র শিকার অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থী চাঁপাইনবাবগঞ্জের নবাবগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় (টাউন হাইস্কুল)-এর সহকারী শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমানের কাছে ষষ্ঠ শ্রেণি থেকে প্রাইভেট পড়ত। প্রাইভেট পড়ার সময় সহকারী শিক্ষক মিজানুর রহমান পৌর এলাকার সাহেবা (শাহীবাগ) এলাকায় নিজ বসতবাড়ির একটি কক্ষে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন প্র’লো’ভ’ন দে’খি’য়ে শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বি’রু’দ্ধে জো’র’পূ’র্ব’ক ধ’র্ষ’ণ ক’রে’ন। ল’জ্জা ও ভ’য়ে শিক্ষার্থী বিষয়টি পরিবারের কাছে গো’প’ন রা’খে। পরবর্তীতে আসামি মিজানুর রহমান শিক্ষার্থীকে হু’ম’কি দিয়ে বলেন, “তুমি যদি আমার কথা না শোনো, তাহলে পূ’র্বে’র সব ঘটনা তোমার বান্ধবীদের কাছে বলে দেব এবং বেশি বাড়াবাড়ি করলে তোমাকে প্রা’ণে শে’ষ ক’রে ফে’ল’ব।”
এই ভ’য়’ভী’তি দে’খি’য়ে আ’সা’মি মোঃ মিজানুর রহমান শিক্ষার্থীর ইচ্ছার বি’রু’দ্ধে এ’কা’ধি’ক’বা’র জো’র’পূ’র্ব’ক ধ’র্ষ’ণ ক’রে আসছিলেন। সর্বশেষ গত ১ জুন ২০২৬ তারিখ বিকেল সাড়ে চারটার দিকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর এলাকার শাহীবাগে আ’সা’মি’র নিজ বাড়িতে প্রাইভেট পড়ার কথা বলে শিক্ষার্থীকে ডেকে নিয়ে আবারও ধ’র্ষ’ণ ক’রে’ন। এ’কা’ধি’ক’বা’র ধ’র্ষ’ণে’র শি’কা’র হয়ে শিক্ষার্থী শা’রী’রি’ক’ভা’বে অ’সু’স্থ হ’য়ে প’ড়’লে চলতি মাসের ২ জুন রাতে পরিবারের সদস্যরা তার ম’ন খা’রা’পে’র কা’র’ণ জা’ন’তে চা’ই’লে সে কা’ন্না’কা’টি করে পুরো ঘটনা খুলে বলে। মেয়ের কথা শুনে ৩ জুন ২০২৬ (বুধবার) বিকেলে ভু’ক্ত’ভো’গী’র পরিবার এলাকাবাসীদের সঙ্গে নিয়ে ধর্ষক মিজানুর রহমানের বসতবাড়িতে যায় এবং ঘটনার বিষয়ে জানতে চায়।
আ’সা’মি সঠিক উত্তর না দিয়ে ভু’ক্ত’ভো’গী পরিবারের উ’প’র ক্ষি’প্ত হয়ে মা’র’মু’খী আ’চ’র’ণ ক’র’লে উপস্থিত জনতা তাকে মা’র’ধ’র ক’রে আ’ট’ক ক’রে। পরে বাংলাদেশ পুলিশের জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করা হলে নবাবগঞ্জ সদর মডেল থানা পুলিশ ঘটনা স্থানে উপস্থিত হয় এবং তাকে গ্রেফতার করে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!