
এরআগে, গত রবিবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) রাতে বাসার সামনে থেকে তিনি নিখোঁজ হন। (ওসি) মো. আসাদুজ্জামান বলেন, রবিবার রাত সোয়া ১০টার দিকে কামাল হোসেন চঞ্চল ঢাকার নিজ বাসার সামনে থেকে নিখোঁজ হন। তার ব্যবহৃত মোবাইলও বন্ধ পাওয়া যায়। অনেক খোঁজাখুঁজির পর সোমবার সকালে তার স্ত্রী কামরুন্নাহার সূচনা ধানমণ্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। প্রাথমিক ধারনা করা হচ্ছে গলায় গামছা পেঁচিয়ে কামাল হোসেন চঞ্চলকে হত্যার পর ওই ধানক্ষেতে মরদেহ ফেলে রাখা হয়েছিল।
নিহতের চাচাতো ভাই সরোয়ার ইসলাম বলেন, ‘কামাল হোসেন চঞ্চল ঢাকার বাসার সামনে মোবাইল সরঞ্জামের ব্যবসার পাশাপাশি একটি সমবায় সমিতি পরিচালনা করত। কী কারণে তাকে হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহ কেন সিরাজগঞ্জের ধানক্ষেতে ফেলে রাখা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। আজ নিহতের মরদেহ গ্রামের বাড়ি বরিশালে নেওয়া হবে।
রায়গঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা থানায় এসেছে। আজ ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তÍান্তর করা হবে। এ ঘটনায় স্বজনরা হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২