
মানবদেহে আমিষের ঘাটতি পুরণে নিরাপদ খাদ্য হিসেবে ডিম, দুধ-ও মাংসের গুরুত্ব অপরিসীম। আর এ চাহিদা পুরণে ব্যাপকভাবে কাজ করছে বগুড়া জেলা প্রাণীসম্পদ অফিস। নিয়ন্ত্রণে এসেছে লাম্পি স্কিন ডিজিসের মতো মহামারীও । লাইভস্টন রিসার্চ ইন্সটিটিউট ঢাকা মহাখালীর গবেষণায় লাম্পি স্কিন ডিজিস-এর ভ্যাকসিন তৈরীতে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে।
এ ভ্যাকসিন আসলে রোগটি চিরতরে নিয়ন্ত্রনে আসবে বলে জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসার ড. মোঃ আনিছুর রহমান জানিয়েছেন। তিনি আরো জানান, গরুর এই রোগটি প্রতিটি উপজেলায় খামারীদের সচেতন করে, বিভিন্ন সভা, সেমিনার ও সঠিক সময়ে সময়োপযোগী ব্যবস্থা গ্রহণের ফলে আমরা তা নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছি। একই সাথে গত কোরবানির ঈদে বগুড়ার চাহিদা মিটিয়ে তিন লক্ষাধিক গবাদি পশু অবিক্রিত থেকে গেছে। আমরা মাংস ও ডিমের স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি, দুধেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের পথে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। তবে তিনি কিছু ছোট ছোট কৃষক ও খামারিদের অসচেতনতার কারণে অনেক সময় ভেটেনারি হাসপাতালগুলোতে না নিয়ে নিজেরাই হাতুরে চিকিৎসা করে। এজন্য কিছু কিছু জায়গায় হয়তো গবাদি পশুর রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে তিনি খামারিদের সচেতন হওয়ার জন্য আহবান করেছেন।
বগুড়া জেলা প্রাণী সম্পদের এই কর্মকর্তা আরো জানান, তাদের লক্ষ্য এখন নিরাপদ খাদ্য তৈরির। নিরাপদ ও কেমিক্যাল মুক্ত দুধ-ডিম-মাংসের জন্য বগুড়া প্রাণী সম্পদ অফিসের যে উদ্যোগ তা খামারী ও খাদ্য প্রস্তুতকারী ফিড মিল কর্তৃপকের সহযোগিতা ছাড়া সম্ভব নয়। তাদের সহযোগিতা পেলে নিরাপদ খাদ্য তৈরিতে ১০০% সাফল্য আসবে বলে জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের দাবি।
-রায়হানুল ইসলাম-

আরও পড়ুন
বগুড়া মহাস্থান মাজারের ১৫ দানবাক্সে মিলল সাড়ে ৩৪ লাখ টাকা, গণনায় লেগেছে প্রায় দুই দিন
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নওগাঁয় সরকারি কর্মকর্তা পরিচয়ে প্রতারণা করায় যুবক আটক