হোম » সারাদেশ » কুড়িগ্রামের ষাদুরচর ডিগ্রি কলেজের অফিসিয়ালি কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযাগ 

কুড়িগ্রামের ষাদুরচর ডিগ্রি কলেজের অফিসিয়ালি কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযাগ 

যাদুরচর ডিগ্রি কলেজের শিক্ষকদের বেতনর বিলসিটর কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে মুরাদুল ইসলাম মুরাদ নামের এক যুবকের বিরুদ্ধে। গতকাল রবিবার (১৪ জুলাই)বিকালের দিকে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার যাদুর চর ডিগ্রি কলেজে এ ঘটনাা ঘটে। 
কলেজ সংশ্লিষ্ট ও স্ানীয় সূত্র জানা যায়, যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের সকল শিক্ষক ও কর্মচারী  জুন মাসের ২০২৪ ইং বিলসিট স্বাক্ষর করে চলে যান। কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম অনুপস্তিত থাকায় ওই কলেজের চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী হাসন আলী (এমএল্সএস) কম্পিউটার ল্যাবষ্টার আতিকুর রহমান ও আয়া মাসুদা খাতুন অফিসিয়ালি সকল কাগজপত্র কোর্ট ফাইলে রাখতে ছিলেন। এসময় ওই কলেজের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা মজিবুর রহমান বঙ্গবাসির ছেলে মুরাদুল ইসলাম মুরাদ কলেজের অফিসকক্ষে প্রবশ করেন এবং উপস্তি কর্মচারীরা কিছু বুঝে  উঠার আগেই শিক্ষকদের বিলসিটর কাগজপত্র ছিনিয়ে নিয়ে চলে যান। এ ঘটনাটি এলাকায় ছড়িয়ে পড়লে চ্যাঞ্চলোর সষ্টি হয়। যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ও প্রতিষ্ঠাতার সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিরোধ চলে আসছিল। এনিয়ে বিভিন দপ্তরে উভয় পক্ষের একাধীক অভিযোগও রয়েছে।
অভিযুক্ত মুরাদুল ইসলাম মুরাদ শিক্ষকদের বিলসিটর কাগজপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, আমার বাবা যাদুর চর কলেজের দাতা ও প্রতিষ্ঠাতা হওয়া সত্বেও তাকে কলেজ থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়েছে।  এনিয়ে কয়েকবার শালিশ বৈঠক বসে সমাধানের চেষ্টা করেও কোন সমাধান হয়নি। ফলে আমি রাগেক্ষোভে এ কাজ করেছি ।
যাদুর চর ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম জানান, আমার অনুপস্তিতে সুযোগ বুঝে মুরাদুল ইসলাম কলেজের অফিসকক্ষে প্রবেশ করে জোরপূর্বক বিভিন কাগজগত্র ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এটা দুঃথজনক ঘটনা। আমি বাহিরে থাকায় আইনের আশ্রয় নিতে বিলম্ব হচ্ছে । তবে রৌমারী এসেই আইনের আশ্রয় নিবা।
উপজলা নির্বাহী অফিসার নাহিদ হাসান খান বলেন, এবিষয় এখনও কোন অভিযোগ পাইনি। তবে অভিযোগ পেলে তদÍ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্া নেওয়া হবে।
ইউনুছ কুড়িগ্রাম
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!