
মোস্তাফিজুর রহমান, নলডাঙ্গা (নাটোর) প্রতিনিধি : নাটোরের নলডাঙ্গায় একসঙ্গে এসএসসি পাস করলেন মা ছেলে ও খালা।মা নাসিমা বেগম জিপিএ-৩.৬৪,ছেলে সোহান ৩.৯৬ ও খালা হালিমা ৩.৮৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।রোববার এসএসসি ফল প্রকাশের পর মা ছেলে ও খালা এ ফলাফল অর্জন করেন।
জানা গেছে,ছেলে সোহান ও মা নাসিমা বেগম উপজেলার বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়নের মির্জাপুর দিয়ারপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।খালা হালিমা বেগম একই ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর দিঘা গ্রামের আব্দর রাজ্জাগের স্ত্রী।মা নাসিমা বেগম বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান সংরক্ষিত ৪,৫,৬ নং ওর্য়াড ও খালা হালিমা বেগম একই ইউনিয়নের ৭,৮,৯ নং ওর্য়াডের সংরক্ষিত নারী সদস্য।মা নাসিমা বেগম ও খালা হালিমা বেগম কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওয়াতায় ২০২২-২০২৩ শিক্ষাবর্ষে ওমরগাড়ি ফাজিল মাদ্রসার ভোকেশনাল শাখা থেকে এবং একই শিক্ষাবর্ষে ছেলে সোহান নাটোর কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে এস এসসি (সমমান)পরীক্ষায় অংশ গ্রহন করেন। পরীক্ষায় মা নাসিমা বেগম জিপিএ-৩.৬৪,ছেলে সোহান ৩.৯৬ ও খালা হালিমা ৩.৮৯ পেয়ে উত্তীর্ণ হন।
মা ও খালার সাথে এসএসসি (সমমান) পরীক্ষায় পাস করে উচ্ছ্বসিত ছেলে সোহান।তিনি বলেন, আমি আমার ও খালা একসঙ্গে এসএসসি পাস করায় আমি আন্দদিত।আমার মাকে কেউ অশিক্ষিত বলতে পারবে না।এই আমি অত্যন্ত খুশি।
মা নাসিমা বেগম বলেন,আমার খুব ইচ্ছা ছিল এসএসসি পাস করার।কিন্ত মা বাবার সংসারে সেই ইচ্ছা পূরণ হয়নি।পরে আমি আমার ছেলের পরামর্শে এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার জন্য ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর রাজশাহীর পুঠিয়া ওমরগাড়ি ভোকেশনাল মাদ্রসায় ভর্তি হই।এসএসসি (সমমান) পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে আজ আমি পাস করেছি,তাই আমি আন্দদিত।
খালা হালিমা বেগম বলেন,আমি আমার স্বামীর পরামর্শে বোন নাসিমার সাথে ওমরগাড়ি মাদ্রসার ভোকেশনাল শাখায় ভর্তি হই।দুই বোন এক সঙ্গে পরীক্ষায় অংশগ্রহন করে পাস করে আমরা অনেক খুশি।
উল্লেখ্য,২০২২ সালে উপজেলার বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ থেকে দুই বোন নাসিমা বেগম ও হালিমা বেগম ও নাটোরের ছাতনি ইউনিয়ন পরিষদ থেকে এক বোনসহ তিনবোন এক সঙ্গে সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে নির্বাচিত হয়ে সারাদেশে আলোচিত ছিলেন।

আরও পড়ুন
এইচএসসির ফল প্রকাশ, পাসের হার ৫৮.৮৩ শতাংশ
ঢাকসু নির্বাচনে ছাত্রশিবিরের বিজয় ও বাংলাদেশের রাজনীতিতে চুনকালি
শিবিরের পক্ষে ভোট কারচুপি হয়েছে, অভিযোগ তিন ভিপি প্রার্থীর