হোম » Uncategorized » “আপনে কি আইবেন নাকি আমরা আইমু”

“আপনে কি আইবেন নাকি আমরা আইমু”

 অনলাইন ডেক্সঃ  স্বনাম ধন্য শ্রদ্ধেয় জনাব আমিরুল ইসলাম সাহেবের আগমনের আশায় অপেক্ষমাণ বিজিএস-এর সদ্যদের পক্ষ থেকে।

হে মহাত্ম,
চেয়ারম্যান বাড়ির মাঠে আপনার পদধূলি, পান্ডলিপির ন্যায় সেই কবে কখন রচিত হইয়াছিল, বিজিএসের সদ্যসদ্যের মস্তিস্বকের আভ্যন্তরের অলিগলি হাতড়াইয়াও পাওয়া যাইবে কি না সন্দেহ।
আপনার অকস্মাৎ এই অন্তর্ধানের হেতু বা অভিপ্রায়, সদস্যদেরকে যাহার পর নাই ব্যাথিত করিতেছে। আপনার এই লুকোচুরি খেলিবার মানসে বসন্তের হাওয়া দোল দিয়া কোকিল গাঁহিয়া উঠিতে পারে, কিন্তু “কাহারো জানিবার ইচ্ছা নাই” মনে করিয়া থাকিলে বা “দেখিনা কে খোঁজ নেয়” এমন ধারনা পোষণ করিয়া থাকিলে, সেই ভুল ভাঙ্গান বড়ই দুরহ মনে হয়।
“ঘোড়ার মুখ” (from horse mouth) হইতে শুনিতে পারিলাম আপনার দাস্ত হইতেছে। ঘন ঘন লটা লইয়া ছোট্ট কুঠিরে যাওয়া আসা করিয়াও, স্রাব বন্ধ হইবার না। মনে হয় শ্রাবণের বারিধারার মত দেহের (অনুচ্চারিত) কোন স্থানের ফুটাটি স্থিতিস্থাপকতা (elasticity) হারাইয়া ফেলিয়াছে। ফলস্রুতিতে কোন কিছুই আর আটকাইয়া রাখা যাইতেছেনা। ইহা শ্রবণ করাও পাপ কিন্তু আমরা কি বা করিতে পারি, চিন্তায় নিদ্রাদেবির আরাধনা থেকে নিজেকে নিবৃত রাখিয়াও নিষ্কৃতি পাইতেছি না।

হে মিষ্টভাষী অগ্রদূত
বাংলা সাহিত্যে আপনার পাণ্ডিত্য আমাদিগকে সর্বদাই অনুপ্রাণিত করিয়াছে। আমরা আপনার অনুকরণে তাই “খাইছি দাইছি”-এর পরিবর্তে ঈশ্বরচন্দ্রীয় ভাষায় খাইয়াছি দাইয়াছি লিখিতে যাইয়া বিপদে পড়িয়াছি।ঘরে বাহিরে এই ঈশ্বরচন্দ্রীয় ভাষার প্রয়োগে ভালো করিয়া কাহাকেও মুখ খিস্তী করিতে পারিতেছিনা। ইহাতে তাহারা দন্ত বিকশিত করিয়া ক্যালাইতেছে যাহা গাত্রদাহনের কারণও বটে। সেদিন নিজ গৃহে বিভিন্ন প্রকার সবজির সমন্বয় একপ্রকার তরকারি রন্ধন করা হইয়াছিল। তাহাতে কিঞ্চিৎ নুন-এর ঘাটতি অনুমেয় হওয়াতে, নুন আনিতে আদেশ করিয়াছিলাম। রন্দধশালা হইতে গৃহপরিচারিকা ও জায়া ইহাদের খিলখিল হাসির কলরবে আমার পুরুষত্বের উপর কেহ জেন কষাঘাত করিল। নিকুচি করি ঈশ্বরচন্দ্রীয় ভাষা বলিয়া একটি পশুর বাচ্চার নাম উল্লেখ করিয়া খিস্তি করিয়া বসিলাম। তাহাতে হাশির রোল দ্বিগুণ হইয়া উঠিল। ইহা আর টানিতে পারিতেছিনা। তাই আপনার পদ চিহ্ন অতি সত্তর কামনা করিতেছি।

হে দক্ষিনীয় সুদর্শন পুরুষ,
স্থান হিসাবে বাংলাদেশের ধক্ষিন অঞ্চলের নাম কেহ সহসা উচ্চারণ করিতে চাহেনা। কিন্তু দক্ষিনীয় এই স্থানের লোকগুলির মন মানসিকতা আথিতিয়তা সত্যিই অতুলনীয়, যাহা আবার অনেকেই স্বীকার করিতে চাহেনা। সে যাহাই হোক আপনাকে আমরা ধ্রব তারা হিসাবে জ্ঞান করিয়াছি আমাদিগকে আর অন্যকোন তারার পানে দৃষ্টি নিবদ্ধ করা থেকে বিরত থাকুন।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!