প্রিন্ট এর তারিখঃ জুন ৪, ২০২৬, ১১:১৩ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জানুয়ারি ২০, ২০২৪, ১:৪৩ অপরাহ্ণ
শহীদ আসাদের চেতনা শেষ হবার নয় : বাংলাদেশ ন্যাপ

মারুফ সরকার, স্টাফ রিপোর্টার : কোন কোন মৃত্যু ইতিহাস হয়ে যায়, অন্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহে জনস্রোতের উদ্বেল জোয়ার আনে। আসাদের মত্যু তেমনি এক ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থানে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ চেয়ারম্যান জেবেল রহমান গানি ও মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া।
শনিবার ( ২০ জানুয়ারি) শহীদ আসাদ দিবস উপলক্ষে গণমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে তারা এ মন্তব্য করেন।
তারা বলেন, ষাট দশকে পাকিস্তানের স্বৈরাচারী শাসন, নিপীড়ন-শোষণ বঞ্চনার বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার সংগ্রামে ১৯৬৯ সালের ২০ জানুয়ারি পুলিশের গুলিতে আসাদ শহীদ হবার ঘটনা বাংলার সংগ্রামী মানুষের প্রাণে জাগিয়েছিল অমিত সাহস ও প্রচন্ড শক্তি। শহীদ আসাদের আত্মত্যাগেই ৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান। '৬৯-এর ধারাবাহিকতায় একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জিত হলেও শহীদ আসাদের চেতনা শেষ হবার নয়।
নেতৃদ্বয় ৬৯-এর গণআন্দোলনের বীর সেনানী শহীদ আসাদের অমর স্মৃতির প্রতি গভীরতম শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, বাঙালির স্বাধীনতা সংগ্রাম কেবল ৯ মাসের মুক্তিযুদ্ধের মধ্যেই সিমিত নয়। স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাস অনেক দীর্ঘ। ৬৯'র গণঅভ্যুত্থান প্রকৃত অর্থে একাত্তরের স্বাধীনতা যুদ্ধের সোপান রচনা করেছিল।
তারা আরো বলেন, '৫২-এর ভাষা আন্দোলন বাঙালিকে ঘরমুখো করেছিল, আর '৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান সেই বাঙালিকে তার ঘরের ঠিকানা খুঁজে দিয়েছিল। স্বাধিকারের ঢিমেতাল আন্দোলন ঊনসত্তরের ২০ জানুয়ারি আসাদের শাহাদাতের পর সহসাই গণঅভ্যুত্থানে পরিণত হয়।
ন্যাপ নেতারা বলেন, ৬৯’র প্রচন্ড গতিবেগই বস্তুত ’৭১-এর মুক্তিযুদ্ধকে অবশ্যম্ভাবী করে তোলে। এসকল বিচারে এটা নিঃসন্দেহে বলা চলে এদেশের মানুষের সাম্রাজ্যবাদ-সামন্তবাদবিরোধী সংগ্রামের ধারাবাহিকতায় ’৬৯ একটি বড় মাইলফলক। আসাদ তাই জনগণের মুক্তির প্রেরণা আর ঊনসত্তর মুক্তির দিশারী। শহীদ আসাদের আত্মত্যাগের মধ্য দিয়ে বেগবান হয়েছিল তৎকালীন স্বৈরাচার আইয়ুববিরোধী আন্দোলন। আসাদের রক্তাক্ত শার্ট হয়ে ওঠে বাঙালির প্রাণের পতাকা।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.