হোম » অন্যান্য বিভাগ » বগুড়ার ধুনটে মৌ চাষে লাখপতি তিন যুবকের সাফল্যের গল্প 

বগুড়ার ধুনটে মৌ চাষে লাখপতি তিন যুবকের সাফল্যের গল্প 

এম,এ রাশেদ,বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ  মৌ চাষে লাখপতি বদলেছে তিন যুবকের ভাগ্য। দশ বছর পূর্বে ৩০ হাজার টাকা পুঁজি নিয়ে পথ চলা সততা মৌ খামারের। বলছি সিরাজগঞ্জ জেলার হাট পাঙ্গাশী গ্রামের তরুণ উদ্দোক্তা আসাদুল ইসলাম, হাসেম ও সাগরের সাফল্যের কথা।
তারা সারা বছর দেশের বিভিন্ন প্রান্তরে ভ্রাম্যমাণ মৌ বাক্স স্থাপন করে প্রাকৃতিক মধু আহরণ করেন। সোমবার (১৮ ডিসেম্বর) সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় ধুনট উপজেলার চান্দিয়াড় পাড়া গ্রামে সরিষা মাঠে সারি সারি মৌ বাক্স স্থাপনের মাধ্যমে দীর্ঘ বাইশ দিন ধরে মধু সংগ্রহ ও বিক্রি করে আসছেন এ খামারীরা। বর্তমানে তাদের খামারে ১৮০ টি মৌ বক্স রয়েছে। প্রতি বক্স থেকে সরিষা মৌসুমে সপ্তাহে দুই থেকে তিন কেজি মধু মেলে। যার গড় হিসাব দাঁড়ায় সপ্তাহে তিন শত ষাট লিটারের উপরে। প্রতি লিটার মধু তিন থেকে চার শত টাকা বিক্রি হয়। যার গড় বাজার মূল্য প্রায় লক্ষাধিক।
এপ্রসঙ্গে মৌ খামারী আসাদুল ইসলাম জানান, আগের তুলনায় এখন বেশি মধু পাওয়া যাচ্ছে। দেশব্যাপী খাঁটি মধুর চাহিদা থাকায় প্রতিদিন বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ী ও কোম্পানির প্রতিনিধিগণ পাইকারি ও খুচরা মধু কিনে থাকেন। বর্তমানে খামারে আরো তিন চার জন লোক বেশি কাজ করছে। এর ফলে নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। মাঝে মাঝে ফুল ও মধুর সংকট দেখা দিলে মৌমাছি গুলোকে খুবই যত্নের সাথে পরিচর্যা করতে হয়। এছাড়া অনেকেই মৌমাছির বক্স গুলো চুরি করতে চায়, তাই রাত জেগে বক্স পাহারা দেয় তারা। তবে ধুনট চান্দিয়াড় পাড়ার সরিষা চাষিগণ বেশ আন্তরিক বলেন জানান।
মৌ চাষের সফলতা প্রসঙ্গে উদ্দোক্তা আসাদুল ইসলামকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দেশের বেকার সমস্যা সমাধান ও খাদ্য পুষ্টি সুরক্ষায় তরুণ প্রজন্মকে মৌ চাষে এগিয়ে আসতে হবে। এতে স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভবান হওয়া সম্ভব। দেশের অর্থনীতিতে মৌ চাষ একটি উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। এ খামার আমাদের মুখে সত্যি সাফল্যের হাসি ফুটিয়েছে।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!