
রায়হান আলীঃ উল্লাপাড়ার রুদ্রগাঁতি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সীমানা প্রাচীর নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। স্কুলের প্রধান শিক্ষক কোন রকম নিময় নীতি না মেনে শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের বরাদ্দ দেওয়া ২ লাখ টাকার কাজ নিজেই তার খেয়াল খুশি মত করছেন। বিষয়টি জানেনা স্কুলের পরিচালনা কমিটি। উপজেলা শিক্ষা দপ্তর এই স্কুলের প্রাচীর নির্মানে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছে।
রুদ্রগাঁতি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি আবু সাইদ, অভিভাবক সদস্য আনোয়ার হোসেনসহ স্থানীয় লোকজন অভিযোগ করেছেন এই স্কুলের সীমানা প্রাচীর নির্মানের জন্য উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ক্ষুদ্র মেরামত প্রকল্পের ২ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী এই বরাদ্দের অর্থ ব্যয়ের জন্য স্কুল পরিচালনা কমিটির (এসএমসি) পূর্বানুমতি নিয়ে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর থেকে নকশা প্রণয়ন ও এস্টিমেট করে প্রধান শিক্ষক কমিটির লোকজন নিয়ে কাজ করবেন। কিন্তু স্কুলের প্রধান শিক্ষক মোছাঃ সামসাদ খাতুন কাউকে কিছু না বলে নি¤œমানের রড, সিমেন্ট, ইট খোয়া ও বালু দিয়ে স্কুলের সীমানা প্রাচীর নির্মান করছেন। এতে এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়েছেন। অভিযোগকারীরা এব্যাপারে প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।
এ বিষয়ে উক্ত প্রধান শিক্ষক মোছাঃ সামসাদ খাতুনের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে এবিষয়ে আর কোন কথা বলতে রাজি হননি।
এ ব্যাপারে উল্লাপাড়া উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ ছানোয়ার হোসেনের সঙ্গে কথা বললে তিনি জানান, রুদ্রগাঁতী গ্রাম থেকে অভিযোগ পাওয়ার পর তিনি অফিস থেকে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তাদেরকে স্কুলে পাঠিয়ে প্রাচীর নির্মানে নি¤œমানের সামগ্রী ব্যবহারের প্রমাণ পেয়েছেন। এ বিষয়ে তদন্ত করে উক্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।