
শেরপুর জেলা প্রতিনিধি : ভারত থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টানা বৃষ্টিতে শেরপুরের দুই নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। স্থানীয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
শনিবার (২৬ আগস্ট) বিকেলে নালিতাবাড়ি উপজেলার চেল্লাখালী নদীর পানি বাতকুচি পয়েন্টে বিপদসীমার ১৩৫ সেন্টিমিটার ও ঝিনাইগাতী উপজেলার মহারশী নদীর পানি বিপদসীমার ১০০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ভয়েজ অব ঝিনাইগাতীর সভাপতি জাহিদুল হক মনির বলেন, উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও টিানা বৃষ্টির ফলেে এই অঞ্চলের মানুষের দুর্ভোগ চরম আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে কৃষকরা তাদের সবজি আবাদ নিয়ে চিন্তায় আছে। আমরা বেশ কিছু পরিবারকে সহযোগিতা করছি।
পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্যমতে, ভোগাই নদীতে পানি বেড়ে বিপদসীমার ২৪৪ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে এবং পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের ৪৪১ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উজানে ভারী বর্ষণের ফলে পাহাড়ি ঢল প্রবাহিত হওয়ায় পানি কিছুটা বেড়েছে। বৃষ্টি স্থায়ী না হলে দ্রুততর সময়ের মধ্যে নদীর পানি কমবে বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য অনুসারে, গত ২৪ ঘণ্টায় শেরপুর সদরে ৪৫মিলিমিটার, শ্রীবরদীতে ৪২ মিলিমিটার, ঝিনাইগাতীতে ৪০ মিলিমিটার, নালিতাবাড়ীতে ৫২ মিলিমিটার ও নকলায় ১০০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।
তারা আরও জানিয়েছে, জেলায় এক দিনে মোট বৃষ্টি হয়েছে ২৭৯মিলিমিটার এবং গড়ে ৫৫.৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ