
জাহিদুল হক মিন্ট, নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি : আওয়ামীলীগের সভানেত্রী ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে আলোচনা করে দলকে পূর্ণ গঠনের একটা নতুন উদ্যোগ নেবেন বলে আশা করছেন তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন কে কেন্দ্র করে বিএনপি – জামায়াত তাদের নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে। বঙ্গবন্ধু শেখ
মুজিবুর রহমান কে হত্যার পর যারা জেল জুলুম নির্যাতন সহ্য করে দল কে সু- সংগঠিত করেছে। বিপদের সময় দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ হিসাবে কাজ করেছে তাদের নেতৃত্বে আবারো জামায়াত – বিএনপির অপশক্তি রুখে দিতে চান তৃর্ণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।
এরই ব্যতিক্রম নয় নওগাঁ-২ ( ধামইরহাট- পতœীতলার ) আসনটি। এই আসনটির প্রবীণ, ত্যাগী নেতাকর্মীরা বলেন, আমরা আর কোন তেলবাজ নেতার নেতৃত্ব চাইনা। এবার আমরা নেতৃত্ব চাই বীর মুক্তিযোদ্ধ আলহাজ্ব আমিনুল হক এর।
আমরা চাই সেই নেতা কে যিনি ৭৫ সনের বিপদের সময় যার নেতৃত্বে আমরা ধামইরহাট- পত্নীতলায় আওয়ামীলীগের রাজনীতি করেছি। অতি সহজ ভাষায় বলা যায় যে, যার জন্য পত্নীতলায় আওয়ামীলীগ আজও সু-সংগঠিত হয়ে আছে।
যিনি ১৯৬৭ সালে পাবনা এডওয়ার্ড কলেজে মরহুম শফিকুল আজিজ মুকুল ও সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী নাছিম সাহেব এর মাধ্যমে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে যোগদান করেন।
১৯৬৯ সনে বগুড়া আজিজুল হক কলেজ থেকে ৬ দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভাবে অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৭০ সনে নিজ এলাকায় জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নির্বাচনী প্রচারণায় অংশগ্রহণ করেছেন। ১৯৭১ সনে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ডাকে মহান মুক্তিযুদ্ধে দেশ ও দেশের মানুষ কে রক্ষা করতে যুদ্ধের ময়দানে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। ১৯৭৩ থেকে ১৯৭৪ সনে নওগাঁর বিভিন্ন স্থানে জাসদের গণবাহিনী ও নকশাল বাহিনীর বিরুদ্ধে সাবেক ডেপুটি স্পিকার মরহুম বয়তুল্লাহ ও বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সাবেক সফল বিপ্লবি সাধারণ সম্পাদক মরহুম আব্দুল জলিল সাহেবের নেতৃত্বে সক্রিয় ভূমিকা পালন করে বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমানে অস্ত্র উদ্ধার ও নকশালী কার্যক্রম নশ্যাত করতে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন।
১৯৭৫ সনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কে স্ব-পরিবারের হত্যাকান্ডের পর পতœীতলা ও ধামইরহাট এলাকায় আওয়ামীলীগ কে শক্তিশালী করার লক্ষে তিনি নিবেদিত প্রাণ হিসাবে কাজ করে গেছেন।
১৯৮৭ থেকে ২০০৬ সন পর্যন্ত পত্নীতলা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক এর দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯০ সনে সৈরাচার হটাও আন্দোলনে পত্নীতলা, ধামইরহাট, সাপাহার, পোরশা, মহাদেবপুর ও বদলগাছিতে দলীয় নেতৃত্বে গুরু দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৫ সনে নজিপুর পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের প্রার্থী হিসাবে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন।
২০০৬ সন থেকে এখন পর্যন্ত নওগাঁ জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন।
তারা আরো বলেন,আজ আমরা হতাশা ও অত্যন্ত দু:খের সাথে বলতে বাদ্ধ হচ্ছি ১৯৯১ সন থেকে এখন পর্যন্ত নওগাঁ-২ ( ধামইরহাট- পতœীতলা ) আসনে সংসদ সদস্য হিসাবে মনোনয়ন চেয়ে আসছে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব আমিনুল হক। কিন্তু সাংগঠনিক কিছু অসাধু পরাশক্তির কাছে তিনি বার বার পরাজিত হচ্ছেন।
তিনি তো সারা জীবন দলকে দিয়েই গেলেন কিন্তু দল আজ পর্যন্ত তাকে সন্মান জনক কোন পদ দিলেন না। এবার আমরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগের সভানেত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করছি।
এ বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব মো: আমিনুল হক বলেন, আমি তো ১৯৬৭ সাল থেকে আওয়ামীগের রাজনীতি করে আসতেছি। দল কে সু- সংগঠিত করার জন্য অর্থ- সম্পদ, জীবন- যৌবন, সময়- শ্রম এমন কি আমার জীবনটাও বাঁজি রেখেছি। কিন্তু আজ হাইব্রিটদের কাছে আমি বড় অসহায়। আজ আমি আমার জীবনের শেষ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছি। আশা রাখছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমার দিকে সু – নজর দিবেন এবং নওগাঁ -২ আসনটি আমাকে জনস্বার্থে উপহার দিবেন।

আরও পড়ুন
আলফাডাঙ্গায় প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও লুটপাট, ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল
ক্ষেতলালে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: ৩১ পিস ট্যাপেনটাডলসহ ২ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ