হোম » অন্যান্য বিভাগ » জামালপুরে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকলেও সাইনোটেক এগ্রোভেটকে সন্তোষজনক প্রতিবেদন জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের

জামালপুরে প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি না থাকলেও সাইনোটেক এগ্রোভেটকে সন্তোষজনক প্রতিবেদন জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের

রবিউল হাসান লায়ন: জামালপুরের মেলান্দহে প্রতিষ্ঠিত হতে চলেছে সাইনোটেক এগ্রোভেট নামে গবাধি পশুর ঔষধ তৈরীর কারখানা। কারখানাটির লাইসেন্স পেতে আবেদনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক তদন্ত করেছে জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর। অভিযোগ রয়েছে, কারখানাটিতে প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ না থাকা স্বত্তেও প্রতিবেদনে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন তদন্তকারী দলটি।
মেলান্দহের মালঞ্চ এলাকার উদনাপাড়ায় গবাধি পশুর ঔষধ তৈরীর কারখানা প্রতিষ্ঠা করতে একটি বাসা ভাড়া নেন স্থানীয় আব্দুর রহিম। তিনি আগে কাস্টম ক্লিয়ারিং এন্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট ( সি এন্ড এফ) কাজ করতেন। তবে সেই কাজ ফেলে হঠাৎ ই তার এমন উদ্যোগ। চলতি বছরের মার্চ মাসে উদনা পাড়ায় একটি বাসা ভাড়া নেন তিনি এবং পরিবেশ ছাড়পত্র থেকে শুরু করে অনেক কিছুই বাগিয়ে এনেছেন টাকার জোরে। ভাড়া নেওয়া বাসাটি কারখানার আদলে সাজাতে বিভিন্ন যন্ত্রপাতিও বসিয়েছেন তিনি। এরপর তিনি লাইসেন্সের জন্য আবেদন করেন এবং চলতি জুলাই মাসের ১১ তারিখে জামালপুর জেলা প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তরের একটি টিম কারখানাটি পরিদর্শণ করেন এবং তাদের প্রতিবেদনে সন্তোষ প্রকাশ করেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, আব্দুর রহিমের কারখানাতে তেমন কোন যন্ত্রপাতি নাই। কারখানাটি তদন্ত করার আগে কিছু যন্ত্রপাতি সে ভাড়া করে আনে এবং তদন্ত শেষ হলে সেই যন্ত্রপাতি গুলো পুনরায় কারখানা থেকে বের করে নিয়ে যায়। অনেকটা চাতুরি করে তদন্ত শেষ করেছে আব্দুর রহিম।
অভিযোগ প্রসঙ্গে আব্দুর রহিম বলেন, দীর্ঘ দিনের স্বপ্ন নিজে উদ্যোক্তা হওয়ার। তার পেক্ষিত্বেই এমন উদ্যোগ নিয়েছি এবং দীর্ঘ দিনের চেষ্টার পর এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। কারখানা শুরুর জন্য সব রকমের যন্ত্রপাতি এখানে আছে, শুধু মাত্র দুয়েকটা যন্ত্রপাতি মেরামত করতে দিয়েছি যা দুয়েকদিনের মধ্যে চলে আসবে। প্রাণি বিভাগের কর্মকর্তারা প্রতিবেদন দিয়েছেন এবং তারা আবারও আসবেন। সবকিছু ঠিক হলে এবং কোম্পানীর লাইসেন্স পেলে সাইনোটেক এগ্রোভেট উৎপাদনে যাবে, এর আগে নয়।
জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা মো. শহিদুল্লাহ সাংবাদিকদের জানান, গত ১১ জুলাই সাইনোটেক এগ্রোভেটে একটি টিম পরিদর্শন করে। সেখানে কোম্পানী চালানোর মত সব ধরনের যন্ত্রপাতি ছিল। কোন কিছুর ঘাটতি আমরা লক্ষ্য করিনি। এটা ছিল প্রাথমিক তদন্ত, আমরা আকস্মিক আবার ওই কারখানাটিতে তদন্তে যাবো ।
শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!