
আওয়াজ অনলাইন: রেলে ঈদযাত্রার প্রথম দিনের মতো দ্বিতীয় দিনটিও কাটছে স্বস্তিতেই। এদিন রাজধানীর কমলাপুর স্টেশনে দেখা গেছে ঘরমুখো মানুষের ভিড়। শুরু হয়েছে ঈদ স্পেশাল ট্রেনের কার্যক্রমও।
মঙ্গলবার সকাল থেকে ১৬টি ট্রেন ঢাকার কমলাপুর রেলস্টেশন ছেড়ে যায়, যার মধ্যে চট্টগ্রামগামী মহানগর প্রভাতী ট্রেনটি ছাড়া সবগুলোই নির্দিষ্ট সময়ে ছেড়েছে। রোববার রাতে সোনার বাংলা ট্রেনের দুর্ঘটনার ফলে সেই লাইনটি কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় মহানগর প্রভাতী ছেড়ে যেতে একঘণ্টা দেরি করে। এছাড়া সব ট্রেন সঠিক সময়ে ছেড়ে যাওয়ায় খুশি ছিলেন যাত্রীরা।
যাত্রীরা বলছেন, অন্য যেকোনোবারের চেয়ে এবার স্টেশনের ব্যবস্থাপনা অনেকটাই ভালো। নন এসি সিটের বিপরীতে স্ট্যান্ডিং টিকেটের ব্যবস্থা থাকছে। তবে টিকেট না দেখিয়ে প্লাটফর্মে ঢুকতে পারছেন না কেউই।
এবারই প্রথম ঈদযাত্রা ও ঈদের ফিরতি যাত্রার শতভাগ টিকেট অনলাইনে কাটতে হয়েছে যাত্রীদের। কাউন্টারে দীর্ঘ লাইনে দাঁড়িয়ে ভোগান্তি এড়িয়ে ঘরে বসেই টিকেট কেটেছেন যাত্রীরা। তাই যাত্রার দিন যেন কোনো ধরনের ঝামেলা এড়াতে ট্রেন ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই স্টেশনে আসছে ঘরমুখো মানুষ।
টিকেট ছাড়া কাউকে স্টেশনে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় স্টেশনের বাইরে রয়েছে ভিড়। তবে প্ল্যাটফরমে বা ট্রেনে তেমন ভিড় চোখে পড়েনি।
ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ব্যবস্থাপক মাসুদ সারওয়ার বলেন, চট্টগ্রাম রুটে দুর্ঘটনার কারণে সোমবার দুই ঘণ্টা বিলম্ব ছিল। সেটা কমে আজ এক ঘণ্টা হয়েছে। ধীরে ধীরে ঠিক হয়ে যাবে।
এবার ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকেট বিক্রি শুরু হয় গত ৭ এপ্রিল। ওইদিন বিক্রি হয় ১৭ এপ্রিলের টিকেট। এরপর ৮ এপ্রিল ১৮ এপ্রিলের, ৯ এপ্রিল ১৯ এপ্রিলের, ১০ এপ্রিল ২০ এপ্রিলের এবং ১১ এপ্রিল বিক্রি হয় ২১ এপ্রিলের টিকেট।
একইভাবে ঈদের ফিরতি যাত্রার টিকেট বিক্রি শুরু হয়েছে ১৫ এপ্রিল থেকে। ফিরতি যাত্রার টিকেট বিক্রি শুরুর প্রথম দিন অর্থাৎ ১৫ এপ্রিল বিক্রি হয়েছে ২৫ এপ্রিলের টিকিট। সে অনুযায়ী ১৮ এপ্রিল ২৮ এপ্রিলের, ১৯ এপ্রিল ২৯ এপ্রিলের এবং ২০ এপ্রিল বিক্রি করা হবে ৩০ এপ্রিলের টিকিট।