JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

রাণীশংকৈলে বিদেশী ঘাসের ব্যাপক চাষ স্বাবলম্বী ঘাসচাষীরা

মোঃ সবুজ ইসলাম, রাণীশংকৈল প্রতিনিধি : ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা আট(৮) টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত। এই উপজেলার প্রায় প্রতিটি ইউনিয়নে কমবেশি আবাদ হচ্ছে পুষ্টিকর ও উন্নত জাতের বিদেশী ঘাস।এই পুষ্টিকর ও উন্নত জাতের ঘাসের আবাদ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। গবাদিপশু পালনের জন্য পুষ্টিকর ও উন্নত জাতের ঘাস একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান।

বিশেষ করে দুগ্ধবতী গাভীর জন্য সবুজ ঘাসের কোনো বিকল্প নেই। গাভীকে প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে সবুজ ঘাস দিলে প্রচুর দুধ পাওয়া যায়। আগে আমাদের দেশে খোলা মাঠের চারণভ’মিতে গবাদিপশুকে ঘাস খাওয়ানো হত। কিন্তু দেশে দিনদিন জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে চারণভ’মির পরিমাণ কমে যাচ্ছে। তাই এই এলাকার কৃষকরা অল্প জমিতে অধিক পরিমাণ পুষ্টিকর ও উন্নত জাতের ঘাস পেতে ঘাস চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। এদিকে বাংলাদেশে বিভিন্ন জাতের বিদেশী ঘাস আবাদ করা হয়। তার মধ্যে নেপিয়ার ,প্যারা, জার্মান ও জাম্বু ইত্যাদি ।

এদের মধ্যে বাংলাদেশে নেপিয়ার জাতের ঘাসের আবাদ খুবই জনপ্রিয়। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় নেপিয়ার জাতের ঘাস খুব ভালো হয়। কচি অবস্থায় এ ঘাসে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিমান বিদ্যমান। এই ঘাস অল্প সময়ের মধ্যে বৃদ্ধি পায় । এই ঘাস বিক্রির উপযোগী হলে কেঁটে বিক্রি করা হয়। ঘাস কাটার পর এতে কিছু পরিমান ইউরিয়া সার প্রয়োগ করলে কিছু দিনের মধ্যে বৃদ্ধি পায়। অল্প সময়ের মধ্যে বৃদ্ধি পাওয়ায় এই ঘাসের আবাদের দিকে ঝুঁকছে উপজেলার কিছু লোক। পৌরশহরে কমবেশি প্রতিনিয়ত ঘাস চাষীদের ভ্যানগাড়িতে করে ঘাস বিক্রি করতে দেখা যায়।

সম্প্রতি কথা হয় উপজেলার ৮ নং নন্দুয়ার ইউনিয়নের রাজু নামের এক ঘাস চাষীর সাথে। রাজু ওই ইউনিয়নের আব্দুর রশিদের ছেলে। রাজু ও তাঁর পরিবার মিলে এখন প্রায় ৫ বিঘা জমিতে আবাদ করছে এই বিদেশী ঘাস। একবিঘা জমি ছয় হাজার টাকায় এক বছরের জন্য চুক্তি নেয়। প্রতি বিঘা জমিতে দুই মাস পর পর ঘাস কেটে বিক্রি করে। সেই হিসেবে এক বিঘা জমিতে বছরে প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকার ঘাস বিক্রি করে রাজু। রাজু তাঁর এই এক বিঘা জমিতে বছরে খরচ করেন ১০-১২ হাজার টাকা । রাজু জানায়, এই বিদেশী ঘাস আবাদ করে তাঁর পরিবার এখন অনেক স্বাবলম্বী । তিনি আরোও জানায় প্রতিটি ঘাসের আটিঁ বিক্রি হয় ৪-৫ টাকা। সেই হিসেবে তাঁর দৈনিক আয় আট-নয়শত টাকা। বিদেশি ঘাসের নিয়মিত বাজার বসছে উপজেলার পৌরশহরের মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে বিকাল থেকে রাত প্রায় নয়টা পর্যন্ত। এই বিদেশি ঘাস বিক্রি করে অনেকে আবার স্বাবলম্বী হচ্ছেন এবং সুন্দর জীবনযাপন করছেন। তার এই উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হলেন রাণীশংকৈলের রাজু।

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About আওয়াজ অনলাইন

x

Check Also

শিবগঞ্জ ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড বাসীর কথা রাখলেন চেয়ারম্যান সাবু

কামরুল হাসান শিবগঞ্জ (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার শিবগঞ্জ সদর ইউনিয়ন ৯নং ওয়ার্ড বাসীর কথা ...

error: Content is protected !!