JavaScript must be enabled in order for you to see "WP Copy Data Protect" effect. However, it seems JavaScript is either disabled or not supported by your browser. To see full result of "WP Copy Data Protector", enable JavaScript by changing your browser options, then try again.
সংবাদ শিরোনাম:

কৃষকের জমি দখল গড়ে উঠেছে নীলকুঠি ফ্যামিলি পার্ক-প্রশাসন নিরব

মোঃ আরিফুল ইসলাম সেন্টু বেনাপোলপ্রতিনিধি: শার্শার উলাশি ও ঝিকরগাছার মির্জাপুরে ৩২ জন কৃষকের জমি দখল করে গড়ে উঠা নীলকুঠির ফ্যামিলি পার্কে অবাধে চলছে অসামাজিক কার্যকলাপ। প্রকাশ্যে নানা অসামাজিক কাজ চললেও কারও কোন মাথা ব্যথা নেই। অজ্ঞাত কারণে নীরব ভূমিকা পালন করছে প্রশাসন। জনমনে দেখা দিয়েছে চরম হতাশা। নষ্ট হচ্ছে এলাকার পরিবেশ ও কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা। উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে অভিভাবক মহল। দাবি উঠেছে অবিলম্বে পার্কটি বন্ধ করে দেয়ার।শার্শা উপজেলা থেকে ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে গত ১২ বছর আগে তরিকুল ইসলাম মিলন নামে এক ইউপি সদস্য ১০ বিঘা উপর পার্কটি গড়ে তুলেন। মূলত বিনোদনের জন্য পার্কটি গড়ে তোলা হয়। তবে পার্কে ঘুরতে আসা অধিকাংশই স্কুল ও কলেজপড়ুয়া ছেলে-মেয়ে।

প্রথম অবস্থায় পার্কটি ঠিকঠাকভাবে চললেও বছর ঘুরতে না ঘুরতেই শুরু হয় অসামাজিক কার্যক্রম।সরেজমিনে দেখা গেছে, জোড়ায় জোড়ায় ছেলে মেয়েরা পার্কে বসে আছে। এখানে রয়েছে ছোট ছোট খুপড়ি ঘর। আর ওই সব ঘরে অবাধে চলে নানা কর্মকাণ্ড। প্রতি ঘরের ভাড়া নেয়া হয় ঘণ্টায়।  এদিকে, পার্কের মধ্যে দেখা যায় স্কুল-কলেজরে কোমলমতি ছেলে-মেয়েরা ড্রেস পরা অবস্থায় অবাধে চলাফেরা করছে।নাম প্রকাশ না করা শর্তে পার্কের এক কর্মচারী ঘর ভাড়ার বিষয়টি স্বীকার করে বলেন, বোঝেন তো পার্ক হচ্ছে বিনোদনের জায়গা। পার্কে এদিক সেদিক কাজ না হলে পার্ক চলবে কি করে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, প্রতি বছর লিজের টাকা দেয়ার কথা বলে দুই উপজেলার ৩২ জন কৃষকের কাছ থেকে ৫০/৬০ বিঘা জমি জোর করে জবর দখল করে রেখেছেন পার্কের মালিক মিলন মেম্বার। গত ৮ বছর থেকে সেসব কৃষকদের কোন টাকা দেয়া হচ্ছে না।  কৃষকরা অভিযোগ করে বলেন, পার্কের মালিক মিলন প্রতি বছর লিজের টাকা দেয়ার কথা বলে তাদের কাছ থেকে জমি নিয়েছেন। কিন্ত আমাদের কোন টাকা দিচ্ছে না টাকা চাইলে তার বাহিনীর লোকজন দিয়ে হুমকি দিয়ে ও মারমিট করে।এ ব্যাপারে পার্কের মালিক মিলন মেম্বার জানান, এখানে কোনো অসামাজিক কার্যকলাপ হয় না। তবে মাঝে মাঝে স্কুল-কলেজের ছেলে-মেয়েরা পার্কে এসে একটু গল্প গুজব করে। এতে দোষের কি।

ঝিকরগাছা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জাহিদুল ইসলাম জানান, ‘বিষয়টি আমি শুনেছি এবং জেলা প্রশাসক মহোদয়ের কাছে এ বিষয়ে একটি অভিযোগ করেছি। নির্দেশনা পাওয়া মাত্র প্রদক্ষেপ নেওয়া হবে। এছাড়া কোন স্কুল-কলেজগামী ছেলে-মেয়ে যাতে ক্লাস টাইমে ড্রেস পরে পার্কে না যায় সে জন্য স্কুল-কলেজের প্রধান শিক্ষকদের সাথে ক্যাম্পিং করা হচ্ছে।ওসি সাহেবকে বলেছি যদি পার্কে কোন অনৈতিক কাজ হয় তাহলে তদন্ত করে দ্রুত ব্যবস্থা নিতে।

সংবাদ পড়ুন, লাইক দিন এবং শেয়ার করুন

Comments

comments

About গণমানুষের আওয়াজ.কম

x

Check Also

বগুড়ায় জাতীয় নবান্ন উৎসব উপলক্ষে ‘ধান কাটব্যার যামু চল’ নৃত্যানুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

রায়হানুল ইসলাম, বগুড়া প্রতিনিধিঃ গতকাল বিকাল ৪টা ৩০মিঃ মালতিনগরস্থ পুরাতন শিল্পকলা একাডেমী মিলনায়তনে আমরা ক’জন ...

error: Content is protected !!