
আওয়াজ অনলাইনঃ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো রাজধানীতেও কুয়াশার দাপট বেশ চোখে পড়েছে। শনিবার ভোরে এ দাপটটা গত কয়েকদিনের তুলনায় খানিক বেশিই মনে হলো। এদিন সকাল সোয়া ৬টার পরও রাজধানীর কোনো কোনো এলাকায় সূর্যের দেখা মেলেনি। বরং রাজধানীর সুউচ্চ ভবনগুলো জড়িয়ে ছিলো কুয়াশার চাদরে। সে ছবি কেউ কেউ সামাজিক মাধ্যমে পোস্টও করেছেন। কেউ কেউ বিষয়টিকে শীতের পদধ্বনি বলে মনে করছেন।
দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মতো রাজধানীতেও কুয়াশার দাপট বেশ চোখে পড়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানেই সন্ধ্যা থেকে ভোর পর্যন্ত কুয়াশায় ঢাকা পড়ছে পথঘাট। হেমন্তের মাঝামাঝি সময়ে দিনের চেয়ে রাতে কমছে তাপমাত্রা। অনুভূত হচ্ছে শীত। শিশির ভেজা ঘাস জানাচ্ছে শীতের আগমনী বার্তা।
শিশির বিন্দু আর কুয়াশার চাদরে মোড়ানো প্রকৃতি জানান দিচ্ছে শীতের আমেজ। উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ে সন্ধ্যার পর থেকে ভোর পর্যন্ত ঘন কুয়াশায় আচ্ছন্ন থাকছে চারপাশ। হাওর-টিলা-পাহাড় বেষ্টিত জেলা মৌলভীবাজারে কুয়াশার সাথে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে শীত। রাতে তাপমাত্রা নামছে ১৮ থেকে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ঘরে। ডাল কেটে খেজুর গাছ প্রস্তুত করতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নওগাঁর গাছীরা। সিম, কপি, মুলা, টমেটোসহ নানারকম শীতের সবজি আবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকেরা।
শীতের আমেজ পড়েছে মেহেরপুরেও। সকাল সন্ধ্যায় কুয়াশার দেখা না মিললেও শিশিরে ভেজা থাকছে দুর্বা ঘাস, গাছপালাসহ ফসলের মাঠ। দেশের অন্যান্য স্থানের মতো চুয়াডাঙ্গা আর নড়াইলে দিনে তেমন ঠাণ্ডা না লাগলেও গভীর রাত ও সকালে সূর্য ওঠার আগ পর্যন্ত বেশ ভালোই বোঝা যাচ্ছে শীতের আমেজ।
এদিকে তাপমাত্রার তারতম্যে পঞ্চগড়ে বেড়েছে ঠাণ্ডাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা। ঠাণ্ডা, জ্বর, কাশি নিয়ে জেলা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রতিদিন গড়ে ভর্তি হচ্ছে ২০ থেকে ৩০ শিশু।
সংগৃহীত ছবি