
৫আগস্ট ছাত্র জনতার কোটা সংস্কার আন্দোলনে ভীতু সন্ত্রস্ত হয়ে পালিয়ে ফ্যাসিবাদী হাসিনার পতনের মধ্য দিয়ে দেশে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠিত হয়। এদেশের সাধারণ জনগণ ছাত্রদের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে গণঅভ্যুথানের মাধ্যমে ফ্যাসিবাদী সরকার ব্যবস্থার পতন ঘটায়। তবে আন্তর্জাতিকভাবে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার কূটনৈতিকভাবে কেমন পরিস্থিতির সম্মুখী হতে পারে সে বিষয়ে জনমনে চিন্তার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তবে সম্ভাবনার বিষয় হলো চীন, জার্মানী, যুক্তরাষ্ট্র সহ বেশ কিছু দেশ অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাথে কাজ করতে আগ্রহী হয়েছে। আন্তর্জাতিক মঞ্চে রাশিয়া বাংলাদেশের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার মান্টিটস্কি।
মঙ্গলবার (২৭ আগস্ট) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে তিনি এ কথা জানান।
রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত জানান, রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন জ্বালানি কোম্পানি গ্যাজপ্রম ভোলা দ্বীপে এবং দেশের অভ্যন্তরে আরও পাঁচটি গ্যাস কূপ অনুসন্ধান করতে আগ্রহী। তিনি আরও জানান, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণকাজ চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং এটি আগামী বছর চালু হতে পারে। তিনি বলেন, রাশিয়া বাংলাদেশে এলএনজি রপ্তানিতে আগ্রহী। প্রধান উপদেষ্টা অর্থনৈতিক ও শিক্ষা সহযোগিতা এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে সম্পর্ক বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।
-আওয়াজ ডেস্ক-