
সব ধরণের আতঙ্ক কাটিয়ে পুরোপুরি সচল দেশের প্রধান সমুদ্র বন্দর চট্টগ্রাম।
কোটা সংস্কার আন্দোলকে কেন্দ্রে করে সংঘটিত সহিংস ঘটনায় বন্দর থেকে পণ্য ডেলিভারী না হওয়ায় প্রায় ৫৩ হাজার টিইইউস ধারণক্ষমতার বিপরীতে বন্দরে বিভিন্ন ইয়ার্ডে কনটেইনার জমা পড়ে ৪০ হাজার ২৭২ টিইইউস। এর বাইরে ২১টি বেসরকারী কন্টেইনার ডিপোতে শিপমেন্টের অপেক্ষায় ছিল সাড়ে ৬ হাজারের বেশি কন্টেইনার।
এসব ডিপোতে আমদানী পণ্যবোঝাই কন্টেইনার ছিল ১১ হাজার এবং খালি কন্টেইনার ছিল ৪৯ হাজার ইিইইস কন্টেইনার।
সীমিত পরিসরে ইন্টারনেট সেবা চালুর পর গেল ২৪ ঘন্টায় চট্টগ্রাম বন্দর থেকে সাড়ে ৫ হাজার কন্টেইনার ডেলিভারী দেয়া হয়েছে।
বন্দর কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, স্বাভাবিক সময়ে প্রতিদিন যেখানে গড়ে তিন থেকে সাড়ে কন্টেইনার ডেলিভারী দেয়া হতো সেখানে বাড়তি কন্টেইনার ডেলিভারীর চাপ সামলাতে তাদের হিমসিম খেতে হচ্ছে।
ব্যস্ততা বেড়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউসেও। ৮ হাজার ১৫৩টি আমদানি-রপ্তানি পণ্যের চালানের শুল্কায়নের পর অনলাইনে ৯ হাজার ৩৪৫টি চালানের নথি ছাড় করা হয় বলে জানান শুল্ক কর্মকর্তারা।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মোহাম্মদ সোয়াহেল বলেন, “এক মিনিটের জন্যও বন্দর কার্যক্রম বন্ধ হয়নি। পণ্যের ওঠা-নামাটা একেবারেই স্বাভাবিক ছিল। তবে রোড ও রেল কমিউনিকেশন বন্ধ থাকায় ডেলিভারি ক্ষেত্রে কিছুটা বিঘ্ন ঘটেছে।”
-আওয়াজ অনলাইন-

আরও পড়ুন
তোফায়েল আহমেদ আর নেই
জনগণকে আইনি সুরক্ষা দেওয়া পুলিশের প্রধান দায়িত্ব : আইজিপি আলী হোসেন ফকির
আগামী দুই বছরের মধ্যেই বিমানবন্দরটি চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে