হোম » গণমাধ্যম » একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা এএস মাহমুদের জন্মদিন আজ

একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা এএস মাহমুদের জন্মদিন আজ

দেশে বে-সরকারি টেলিভিশনের সম্প্রচার চালুর অন্যতম পুরোধা ছিলেন আবু সাইয়ীদ মাহমুদ। এ এস মাহমুদ নামে যিনি সমধিক পরিচিত। প্রতিষ্ঠা করেছিলেন দেশের প্রথম বেসরকারি টেরিস্ট্রোরিয়াল টেলিভিশন চ্যানেল ‘একুশে টেলিভিশন’। শিল্প-সংস্কৃতি-জীবনবোধ, মূল্যবোধের বিকাশে তথ্যের অবাধ প্রবাহ উন্মুক্ত করে বাংলাদেশের গণমাধ্যম জগতে এক বিপ্লব এনে দিয়েছিলেন। ১৯৩৩ সালে’র ১০ জুলাই সিলেটে এক সম্ভ্রান্ত পরিবারের জন্ম নেয়া এই সাদামনের মানুষটির আজ জন্মবার্ষিকী।

বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশে কোন মানুষ তথ্য বঞ্চিত থাকবে না।

তার হাত ধরেই গণমাধ্যমে নতুন একটি যুগের সুচনা হয়েছিল। বলছিলাম একুশে টেলিভিশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এ এস মাহমুদের কথা। শিক্ষিত, মার্জিত, রুচিবোধ সম্পন্ন মানুষটি সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে স্বদেশী অনুভূতির মালা গেথে ছিলেন।

খবর, তথ্য, সাংস্কৃতিক ও বিনোদন মূলক অনুষ্ঠানে পুরো বাংলাদেশের ভেতরটা বিশ্বকে দেখাতে চেয়েছিলেন একুশে টেলিভিশনে। মানুষের প্রত্যাশার সব কিছু হাজির হতো রঙিন পর্দায়। একুশ ও  মুক্তিযুদের চেতনার শক্তিকে মানুষের মাঝে করেছিলেন জাগরুখ।

উদার সংস্কৃতির এই পথ চলা যাদের পছন্দ হয়নি, সেই বিএনপি-জামায়াত নিছক অজুহাতে ২০০১ সালে বন্ধ করে একুশে টেলিভিশনকে। সৃষ্টিশীল মানুষটি দারুন মনকষ্ট নিয়ে দেশত্যাগী হয়ে ইংল্যান্ডে চলে যান। ২০০৩ সালে সেখানেই শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন  এস মাহমুদ।

সত্য কখনও চাপা থাকে না। ‘পরিবর্তনে অঙ্গীকারাবদ্ধ’ একুশে টেলিভিশনকেও আটকিয়ে রাখা যায়নি। কোটি কোটি মানুষের ভালোবাসার চ্যানেল আবারও ফিরে আসে স্ব-মহিমায়। নানান চড়াই-উৎড়াই পেছনে ফেলে এগিয়ে চলে এ এস মাহমুদের এই সৃষ্টি।

শুধু তাই নয়, প্রথম বে-সরকারি রেডিও মেট্টো ওয়েভ এবং জনপ্রিয় ইংরেজি দৈনিক দ্য ডেইলি স্টার প্রতিষ্ঠা করেন এই স্বপ্নবাজ মানুষটি। যত দিন যাবে সমৃদ্ধ বাংলাদেশে তার সৃষ্টির মাঝে বেঁচে থাকবেন আবু সায়ীদ মাহমুদ।

-আওয়াজ অনলাইন-

Loading

error: Content is protected !!