
মোঃ মনিরুল ইসলামঃ ১৯৯৫ সাল, জীবনের প্রথম ঢাকা যাচ্ছি আমার গোষ্টীয় প্রতিবেশী মুকুল কাকার সংগে। আমি তখন অষ্টম শ্রেণীতে পড়ি। মুকুল কাকা প্রায়ই বলতো চলো তোমাকে ঢাকা নিয়ে যাই, তোমার বড় ভাই শফির অফিস আমি চিনি, ওখানে আমি প্রায়ই যাই। মুকুল কাকা ঢাকা শহরে রিক্সা চালাতো এবং মাসে ২/১ বার বাড়ীতে আসা যাওয়া করতো। ঢাকার গল্প শুনতে শুনতে এক সময় যাওয়ার জন্য মাকে রাজী করলাম, আব্বা গররাজী তবে বাধা দেয়নি তারপর চাচা ভাতিজা মিলে একদিন রওনা দিলাম। সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া থেকে রংপুরের ঢাকাগামী বাসের ছাদে উঠে গেলাম। ছাদে যাওয়ার কারণ কাকা স্বল্প টাকায় ঢাকা যাতায়াত করতো অবশ্য তাতে আমার ভালই হয়েছিলো, আমি সবকিছু ভালো ভাবে দেখার সুযোগ পেয়েছি। তখন গ্রীষ্মকাল, গাড়ী দুর্বার গতিতে ছুটে চলেছে। যেতে যেতে কাকা বলছে এটা শাহজাদপুর শহর, এটা বাঘাবাড়ীঘাট, এটা বেড়া থানা, সাথিয়া.. সুজানগর.. অতপর নগরবাড়ীঘাট ইত্যাদি। কাকাকে জিজ্ঞেস করলাম ঢাকা কখন পৌছাবো। কাকা বললো, দেরী হবে বিকেলের আগে সম্ভব হবেনা, আগে নগরবাড়ী ফেরি পার হতে হবে তারপর মানিকগঞ্জ তারপর ঢাকা। যদি সময়মতো ফেরি ধরতে পাড়ি তাহলে বিকেলের মধ্যে পৌছাতে পারবো না হলে রাতও হতে পারে।
এবার আমরা নগরবাড়ীঘাটে পৌছালাম। নগরবাড়ী ঘাটের গল্প আমি বাবার মুখেও অনেক শুনেছি। এবার বাসÍবতার সংগে সেই দৃশ্য মিলানোর চেষ্ঠা করছি। এটা সত্যিই এক বিরল দৃশ্য এলাহী কারবার যাকে বলে। হাজার হাজার গাড়ী সারিবদ্ধভাবে দাড়িয়ে আছে ফেরিতে উঠার জন্য, গাড়ীগুলি পাল্লাদিয়ে ফেরিতে উঠার চেষ্ঠা করছে। দেখলাম নগরবাড়ীতে ৪/৫ টি সচল ঘাট আছে, প্রতিটি ঘাটে শতশত গাড়ী উঠানামা করছে। পন্যবাহী গাড়ীগুলি ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে কিন্ত সিরিয়াল পাচ্ছেনা অবশ্য যাত্রীবাহী গাড়ীগুলি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুযোগ পাচ্ছে। উত্তরবঙ্গের ১৬ টি জেলার গাড়ী এই ঘাট দিয়ে যাতায়াত করে থাকে। ঘাটে যে পরিমান গাড়ী দাড়িয়ে আছে সে তুলনায় ঘাট ও ফেরির সংখ্যা খুবই নগন্য, এ দৃশ্য দেখে কর্তৃপক্ষের উপর খুবই অভিমান হলো। পন্যবাহী গাড়ীগুলি অনেক সময় দিনের পর দিন অপেক্ষা করেও সিরিয়াল পায়না আর যদি বৈরী আবহাওয়া হয় তাহলে তো কথাই নাই। বিশেষ করে ভরা মৌসুমে ঘাটগুলি ডুবে যায় তখন ফেরিতে উঠানামা কঠিন হয়ে যায় আবার অতিরিক্ত স্রোতের কারনে ও শুকনা মৌসুমে নাব্যতার কারনেও ফেরি পারাপার ব্যহত হয়। প্রতিটি ঘাটে দিনরাত অবিরাম ফেরি ভিরছে, গাড়ী নামছে, আবার গাড়ী উঠছে তারপর ছেড়ে যাচ্ছে। তবে ঘাটে ফেরি নোঙ্গর করা আর ছাড়ার মাঝে বেশ খানিকটা সময় ব্যয় হয়। নগরবাড়ীর এই কর্মযজ্ঞকে ঘিরে তৈরী হয়েছে হাজার হাজার মানুষের কর্মসংস্থান ও বাজার ঘাট-ছোট ছোট টং দোকান, পানবিড়ি দোকান থেকে শুরু করে মুদিদোকান, খাবার হোটেল, বর্ডির হাউজ, বড়বড় অট্টালিকা, ফিসারিজ ঘাট, কাচামাল ও আড়ৎদারী ব্যবস্যা, সর্বপরি হকার, লেবার, শ্রমিক, ভিক্ষুক শ্রেণী, নৌকা, জাহাজ, স্পীডবোট, টলার, লাইটার, বাসট্রাক পরিবহন প্রভৃতি ব্যবসা, জীবন ও জীবিকা। এখানকার উল্লেখযোগ্য ব্যবসা হলো খাবার হোটেল। এখানে বাহারী খাবার হোটেলে যেমন বাহারী খাবার রয়েছে তেমনি খাবারের গলাকাটা দাম নিয়েও মানুষের মধ্যে রয়েছে ক্ষোভ ও বিস্তর অভিযোগ।
এর মাঝে আমাদের বাস ফেরিতে উঠে গেলো। ফেরি কানায় কানায় লোড হলো। এবার ফেরি ছাড়ার জন্য বারবার হুইসেল দিতে লাগলো আবার ঘাটে ভেড়ার জন্য অপর একটি আপেক্ষমান ফেরি একের পর এক হুইসেল দিয়ে তার আগমনী বার্তা জানিয়ে দিতে লাগলো। জোরে জোরে হুইসেল দিয়ে ফেরি এবার সত্যি সত্যি ছেড়ে দিলো। তিনতলা ফেরি, আমার সমস্ত আবেগ দিয়ে ফেরির অভ্যান্তরিন দৃশ্যগুলি ঘুরে ঘুরে দেখছি, দেখলাম ফেরিতেও একাধিক খাবার হোটেল রয়েছে। উজান হতে ভাটির দিকে যাচ্ছি, স্রোতের সংগে পাল্লা দিয়ে ফেরি ছুটে চলেছে, স্বচ্ছ পানি দুদিকে কলকল শব্দে ছড়িয়ে পড়ছে। আমাদের ফেরির পাশাপাশি অন্য ফেরিগুলিও ভাটির দিকে অথ্যাৎ আরিচার দিকে যাচ্ছে পাশাপাশি আরিচা থেকে ছেড়ে আসা অনেক ফেরি ও নৌযান আমাদের পাশ কাটিয়ে নগরবাড়ীর দিকে যাচ্ছে। এ যেন এক অপূর্ব প্রতিযোগিতা, অপূর্ব দৃশ্য। নদীর বুকে ছুটে চলা নৌযানগুলি দেখে মনে হচ্ছে এক একটি চলমান শহর। বিশেষ করে রাতে এই দৃশ্য দেখে মনে হয় পদ্মা যমুনার বুকে আর একটি ঢাকা শহর বহমান। ফেরিগুলির নামকরন আবার অলি আউলিয়াদের নামানুসারে যেমন- শাহ জালাল, শাহ পড়ান, শাহ মখদুম, শাহ আমানত, শাহ আলী, খান জাহান আলী, এনায়েতপুরী, আবার মুক্তিযুদ্ধ, গুনিজন ও ভাষা শহীদদের নামানুসারেও আছে যেমন- বীরশ্রেষ্ট জাহাঙ্গীর, বীরশ্রেষ্ট মতিউর, বীরশ্রেষ্ট রুহুল আমিন, বীরশ্রেষ্ট হামিদুর রহমান, বীরশ্রেষ্ট বরকত, বেগম সুফিয়া কামাল, বেগম রোকেয়া ইত্যাদি। ফেরিতে যাচ্ছি আর ভাবছি এই ফেরিতে চড়েইতো আমার বড় ভাই ঢাকা যাতায়াত করেন। সেই ১৯৮৯ সালে লেখাপড়া ছেড়ে সংসারের হাল ধরার জন্য তাকে ঢাকায় পাড়ি জমাতে হয়েছে। এক প্রকার বাধ্য হয়েই তাকে ঢাকা যেতে হয়েছে সরকারী আকবর আলী কলেজের আকর্ষনীয় ছাত্রজীবন, বিশাল বন্ধুসার্কেল, রাজনীতি, এলাকা ইত্যাদি ছেড়ে। একবার শ্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলন করে ঢাকা থেকে ফেরার পথে এরকম মাঝ নদীতে তাদের ফেরি ঝড়ের কবলে পরেছিল, সৃষ্টিকর্তার অশেষ কৃপায় সে যাত্রায় কোন ক্ষতি হয় নাই। ফেরিতে বিচিত্রসব মানুষ, বিচিত্রসব অভীজ্ঞতা ও পদ্মা-যমুনার বহমান যৌবন দেখতে দেখতে প্রায় ৩ ঘন্টা কেটে গেল, এতক্ষনে আমাদের ফেরি আরিচা ঘাটে পৌছালো এবং নোঙ্গর করার জন্য বারংবার হুইসেল দিতে দিতে ঘাটে ভিরলো, ততক্ষনে সবাই যার যার গাড়ীতে অবস্থানে নিয়ে নিয়েছে। কাকা আগেই বলেছিল যেখানেই থাক ফেরি ঘাটে ভেড়ার আধা ঘন্টা আগেই বাসে চলে আসতে তাই আমিও ভুল করিনি। আরিচা ঘাটের অপ্রতুলতা ও অসীম চাহিদা সেই নগরবাড়ী ঘাটের কথাই মনে করিয়ে দিলো। এতকিছু দেখতে দেখতে বুঝতে পারলাম একটা যমুনা সেতুর কত দরকার।

ছবিঃসংগৃহিত এবার বাস ফেরি থেকে পাল্লা দিয়ে দিয়ে নামলো, তারপর ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা দিলো। মনে হলো বাসগুলি এতক্ষন বন্দী ছিল তাই বন্দি দশা থেকে মুক্তি পেয়ে মনের আনন্দে ছুটতে লাগলো। মানিকগঞ্জ শহর পার হলাম তারপর নবীনগর জাতীয় ¯œৃতিসৌধ দেখে কাকা বললো দেখতে পাচ্ছ, এটা টিভিতে দেখায়। এরপর একে একে সাভার ক্যান্টনমেন্ট, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, সাভার শহর, হেমায়েতপুর প্রভৃতি পাড় হলাম। আমিনবাজার পাওয়ার কিছু আগে কাকা বললো ঐযে দেখ, ঢাকা শহর দেখা যাচ্ছে। বাসের ছাদে বসে আমি ঢাকা শহর দেখতে কেমন খুটে খুটে দেখার চেষ্টা করছি, যত কাছাকাছি যাচ্ছি আমার প্রশ্ন তত বাড়ছে, কাকা বিভিন্ন তথ্য ও উত্তর দিয়ে আমাকে অনুপ্রানিত করছে। গাবতলী ব্রিজ পাড় হয়ে পর্বত সিনেমা হল অতপর আরও কিছুদুর সামনে গিয়ে গাবতলী বাস টার্মিনালে নেমে পড়লাম। তারপর ৭ নং বাস ধরে ঢাকা কলেজের বিপরীতে অবস্থিত বড় ভাইয়ের অফিস ‘হোটেল গ্যালাক্সী ইন্টারন্যাশনাল’ এ গিয়ে হাজির হলাম। তখন মোবাইলের যুগ ছিল না তাই কোন খবর না দিয়েই সরাসরি হাজির হতে হলো। ভাই প্রথমে অবাক হলেন, তারপর সব খবরা খবর শুনে খুশি হলেন, যাক অন্তত কোন খারাপ খবর নেই জেনে স্বাভাবিকভাবে স্বহাস্যে গ্রহণ করলেন। পড়ন্ত বিকেলবেলা সবার খাওয়া দানা শেষ, অফিস স্টাফদের জন্য যে রান্না হয় তার বাড়তি খাবারই আমরা দুজন খেলাম। ইলিশ মাছ মিষ্টিকুমড়া দিয়ে রান্না, মাছের পিচ ছিলনা শুধু তরকারী আর ঝোল ছিল তবু এতবেশী মজা পেয়েছিলাম যে, আজও সেই টেস্ট মুখে লেগে আছে। তারপর কাকা বিদায় নিয়ে চলে গেল আমি ভাইয়ের মেসে উঠলাম, মেস বলতে অনেকগুলো ফ্যামিলি বাসার সংগে একটি ব্যাচেলর রুম। মেসের অভীজ্ঞতা মোটেও ভাল ছিলনা, দুটি টয়লেট, একটি টিউবওয়েল আর অনেকগুলো পরিবার হলে যা হয়, পায়খানা, প্রস্রাব বা গোসল অনেক সময় আমি ভাইয়ের অফিসে গিয়ে করতাম।
একদিন ছুটির দিনে দুভাই মিলে চিড়িয়াখানা ঘুরতে গেলাম, বিভিন্ন জীবজন্তু ঘুরে ঘুরে দেখলাম, তাদের মধ্যে বানর সম্প্রদায়কে দেখে বেশী মজা পেলাম। একসময় ভাই কি একটা কাজের জন্য বললেন তুই দেখতে থাক, আমি একটু পরে আসি, কোথাও যাবিনা। ভাই আসতে দেরী হচ্ছে দেখে আমি একটু এদিক ওদিক খুজতে লাগলাম, ব্যস দুজন দুজনকে হারিয়ে কান্নাকাটি শুরু হয়ে গেল। মোটামুটি ঘন্টাখানেক পরে দুজনের মিলন হলো, তারপর যা হয় ভাই বকাঝকা করলেন আবার স্বস্তিও পেলেন। সেদিন আর ঘোরাঘুরি হলনা, প্রয়োজনীয় কিছু কেনাকাটি করে মেসে ফিরলাম। পরদিন গেলাম জাতীয় ষ্টেডিয়ামে আবাহনী মোহামেডানের ক্রিকেট ম্যাচ দেখার জন্য। সে দিনটি ছিল আমার জীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সেরা দিন, ষ্টেডিয়ামে বসে প্রিয় দলের খেলা উপভোগ করা, প্রিয় খেলোয়ারদের স্বচক্ষে দেখতে পারাটা আমার মতো স্কুল পড়–য়া বালকের কাছে স্বপ্নের মতো ছিল। আবাহনী আগে ব্যাট করেছিল মোহামেডান পরে ব্যাট করলো। আবাহনীর খেলোয়ার ছিলেন আকরাম খান, দূর্জয়, এনামুল, লিপু প্রমুখ আর মোহামেডানের খেলোয়ার ছিলেন নান্নু, বুলবুল, সুজন, মুক্তাদির লিটু, সেলিম শাহেদ প্রমুখ। চরম উত্তেজনার ম্যাচে পছন্দের দল মোহামেডান জিতলো এবং নান্নু ভাল খেলে দলকে জেতালেন। আমি মোহামেডানের সাপোর্টার জেনে ভাই প্রথমে অবাক হয়েছিলেন কারন ভাই অনেক আগে থেকেই মোহামেডানের সাপোর্টার।
যাই হোক সেদিন নান্নু ভাইয়ের এক একটা চারের মার দুভাই প্রাণ ভরে উপভোগ করেছিলাম। খেলা শেষ করে দুজন গেলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে, ভাই ঘুরে ঘুরে দেখাচ্ছেন এটা কার্জন হল, এটা টিএসসি, এটা লাইব্রেরী, এটা কলা ভবন, এটা মধুর ক্যান্টিন, এটা রোকেয়া হল-এ হলে শিল্পী থাকে (ভাইয়ের বান্ধবী), এটা জসীম উদ্দীন হল, এটা এফ রহমান হল ইত্যাদি ইত্যাদি। এখানে যখন আসি তখন চোখে পানি আসে। ভাই আরো বললেন, বাংলাদেশে অনেক ভার্সিটি আছে তবে ঢাকা ভার্সিটির মতো না। আমি সবকিছু মনযোগ দিয়ে শুনছি আর উপলব্ধি করছি ভাই কি বুঝাতে চাচ্ছেন। এরপর মেসে ফিরে আসলাম, এভাবে ঢাকা শহরে ১০/১২ দিন কেটে গেলো তারপর বাড়ী ফেরার পালা। ভাই গাবতলী বাস টার্মিনালে এসে আমাকে আলহামরা বাসে তুলে দিলেন। যথারীতি সেই আরিচা-নগরবাড়ী ঘাট পাড় হয়েই বাড়ী ফিরলাম। মা বাবা বরাবরের মতো এবারও বললেন বড় গ্যাদা (ভাই) কেমন আছে ? আসা যাওয়াতে কোন অসুবিধা হয়েছে কিনা। আমি বললাম, আলহামদুলিল্লাহ্ ভালো আছেন, কোন অসুবিধা হয় নাই। তারপর এই নগরবাড়ী-আরিচা হয়ে বহুবার ঢাকা গিয়েছি। এক সময় স্বপ্নের যমুনা সেতু চালু হলো, উত্তরবঙ্গের মানুষের পাণের দাবী প্রতিষ্ঠা পেতে শুরু করলো, সময়ের আবর্তনে নগরবাড়ী-আরিচা হয়ে গেল সিনেমার পাশ্ব চরিত্র। নগরবাড়ী-আরিচার গল্প এখন রুপকথার গল্পের মতো মনে হয়, যারা দেখেনি তাদের হয়তো বিশ্বাসই হবেনা। ঈদের সময় অনেকের ঈদের নামায এই ফেরিতেই হয়ে যেতো। এখন আর কেউ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলেনা কখন ফেরি ছাড়বে কখন বাড়ী যাব। মানব সভ্যতার পরিবর্তন এত দ্রুত হয় ! এইতো সেদিন কিশোর বয়সে নগরবাড়ী-আরিচার যে যৌবন, যৌলুস ও বহুমুখিতা দেখেছিলাম আজ তার ছিটেফোটাও টিকে নাই অথচ কতইনা রঙিন ছিল নগরবাড়ী-আরিচার কর্মমুখর সেই সোনালী দিনগুলি।
লেখকঃ মোঃ মনিরুল ইসলাম
সিনিয়র অফিসার, জনতা ব্যাংক পিএলসি.
এরিয়া অফিস,রাজশাহী।