
পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি পতিত জমির সদ্ব্যবহার করে তুলশীমালা ধান ও সবজি চাষ করে প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। এতে একদিকে যেমন পরিবারের সবজির চাহিদা মেটাচ্ছে, অন্যদিকে থানায় আগত বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষদের সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছেন।
জানা গেছে, ঝিনাইগাতী থানাভবনসহ থানার মোট জমির পরিমাণ প্রায় দুই একর। তন্মধ্যে থানা ভবন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বাসভবন, উপ-পরিদর্শকদের (এসআই) বাসভবন, একটি পুকুর, থানার পুরাতন ভবন, রান্না ঘর আছে।

এছাড়া থানার প্রায় ৫০ শতক জমি পতিত অবস্থায় পড়ে ছিল। পতিত পড়ে থাকা জমিতে বিভিন্ন আর্বজনা ও গাছপালা জন্মে ছিল। দীর্ঘদিন পড়ে থাকা জমি পরিষ্কার করে প্রায় ২৫ শতক জমিতে ‘তুলশীমালা’ ধান ও প্রায় ১০ শতক বিভিন্ন প্রজাতির শাকসবজি চাষ করেছেন।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, থানার উপ-পরিদর্শকদের (এসআই) বাসভবনের সামনে ‘তুলশীমালা’ ধান কাটছেন দুইজন পুলিশ সদস্য। থানাভবনের পূর্বপাশেই চাষ করা হয়েছে সরিষা, আলু, টমেটো, পুঁইশাক, লালশাক এবং পুরাতন থানাভবনের পেছনে শীতকালীন সবজি লাউ, বরবটি, মিষ্টি লাউয়ের চাষ করেছেন। এছাড়া থানার বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন প্রজাতির আড়াইশতাধিক ফলের চারা রোপণ করা করেছে। থানার বিশাল পুকুরে করা হয়েছে মাছ চাষ।
ঝিনাইগাতী সদর এলাকার বাসিন্দা মো. আব্দুস সামাদ বলেন, একজন ওসির পেশাগত অনেক দায়িত্ব। তার পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি থানার পরিত্যক্ত জমিতে ধান ও সবজি চাষ সত্যিই আমাকে মুগ্ধ করেছে।

ওসি মো. মনিরুল আলম ভূঁইয়া জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে- সেই নির্দেশে তিনি ধান ও সবজি বাগান করেছেন। এতে থানার পতিত জমির সদ্ব্যবহার ও সবুজ শ্যামল মনোরম পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এছাড়া তাদের সবজি চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি থানার চারিদিকে সবুজের সমারোহে সৌন্দর্য বৃদ্ধি করছে। আন্তরিকতা থাকলে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি সব অফিসের পতিত জমিতে এমন সবজি বাগান গড়ে তোলা সম্ভব। যারা ঘরে বসে আছেন, তাদেরও কোনো পতিত জমি থাকলে তাতে ও বাসার ছাদে বাগান করার পরামর্শ দেন এই পুলিশ কর্মকর্তা।

আরও পড়ুন
বাঘা পৌরসভার প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে ঠিকাদারের কাছ থেকে ৪ লাখ টাকা ঘুষ দাবির অভিযোগ
নওগাঁয় সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ও আহত পরিবারে আর্থিক সহযোগিতা প্রদান
দশ মাসের আত্মগোপনের অবসান: র্যাবের অভিযানে ধরা মমিনুল হত্যা মামলার আসামি