হোম » অপরাধ-দুর্নীতি » দেশব্যাপী নারী ও শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা ও মানব বন্ধন

দেশব্যাপী নারী ও শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা ও মানব বন্ধন

নাহিদুল হাসান নয়ন: দেশব্যাপী ক্রমাগত নারী ও শিশু ধর্ষণ ও যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সভা ও মানব বন্ধন কর্মসূচী আজ তেজগাঁ শিল্পাঞ্চল এলাকায় পালন করল মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন । একের পর এক ঘটছে ধর্ষণ নির্যাতন। নারীর প্রতি মাত্রা ছাড়া নির্মমতায় হতবাক বিবেকবান মানুষ।ধর্ষনের শিকার হচ্ছে শিশু থেকে কিশোরী,জায়া জননী,বৃদ্ধা মুক্তি নেই যেন কারোর। শুধু তাই নয় ধর্ষনের পর পাশবিক নির্যাতন করে হত্যা করা হচ্ছে। প্রায় প্রতিদিনেই দেশের কোথাও না কোথাও হচ্ছে এ ধরনের নির্মম নিষ্ঠুরতা।

আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে শিশু ও নারী অপহরণ,ধর্ষণ এবং খুনের ঘটনা। দেশে ২০১৮ সালে নারী ও শিশু নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৪৪১ টি। বছর শেষে পুরো বছরের তথ্য উপাত্ত পর্যালোচনা করে মানুষের জন্য ফাউন্ডেশন বলছে শিশুদের নিয়ে ১০৩৭টি ইতিবাচক সংবাদের বিপরীতে নেতিবাচক সংবাদ ছিল ২৯৭৩টি। প্রকাশিত খবর অনুযায়ী ২০১৮ সালে ধর্ষনের শিকার হওয়া মোট ৩৫৬টি সংবাদের মধ্যে শিশু সংখ্যা ৩৪৫ টি যার মধ্যে মারা গেছে ২২জন এবং আহত হয়েছে ৩৩৪জন।

উল্লেখযোগ্য ঘটনা গুলোর মধ্যে: ফেণীর নুসরাতকে যৌন হয়রাণীর অভিযোগে আগুনে পুড়ায় হত্যা, কুমিল্লায় তনুকে ধর্ষনের পর হত্যা,ওয়ারিতে শিশু সায়মাকে ধর্ষনের পর হত্যা ,কুমিল্লা চলন্ত বাসে দলবদ্ধ ধর্ষণের পর হত্যা শাহিনুর, কিশোরগঞ্জ ধর্ষণের পর হত্যা নার্স খাদিজা,নারায়নগঞ্জ ধর্ষণের পর হত্যা বিউটি, শায়েস্তাগঞ্জ দলবদ্ধ ধর্ষনের পর হত্যা বিলকিস ,কুষ্টিয়া ধর্ষণের পর হত্যা রূপা. টাঙ্গাইল ধর্ষণ নাম না জানা, জামালপুর ধর্ষণ নাম না জানা ,দিনাজপুর ধর্ষণ নাম না জানা । এই তথ্যতো শুধু মাত্র আমাদের বিন্দু মাত্র অনুধাবনের জন্য দেশ আজ সত্যি এক অরাজকতা, পৈশিকতা,বর্ববরতা,মানবতা বিরোধী এক হত্যাযজ্ঞে পরিণত হয়েছে। এর থেকে কারো যেন পরিত্রাণ নেই আবাল, বৃদ্ধা বণিতার।

এখনি সময় রুখে দাঁড়ানোর,এই অন্যায় হত্যার যৌন নির্যাতনের বিরুদ্ধে। আর নয় যৌন নির্যাতন,আর নয় নারী ধর্ষণ ও শিশু ধর্ষণ, আর নয় নারী হত্যা শিশু হত্যা।বন্ধ হউক এই অন্যায় অবিচার, অচীরেই বন্ধ করতে হবে এই হউক আমাদের সবার অঙ্গীকার সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন এর সংগ্রামী সভাপতি এবং আওয়াজ ফাউন্ডেশন এর নির্বাহী পরিচালক নাজমা আক্তার বলেন- সর্বপ্রথমে আমাদের নারী শ্রমিকদের শ্রমিকের মর্যাদা দিতে হবে, কর্মস্থলে ঘরে বাহিরে সব জায়গায় নারীর নিরাপত্তা দেয়া সহ নারী পুরুষের সম-অধিকার নিশ্চিত করতে হবে।

নারীর প্রতি যথাযথ সন্মান প্রদর্শন প্রয়োগে মর্যাদা নিশ্চিত করণ। সকল প্রকার যৌন হয়রানী, ধর্ষন , হত্যা,অবিলম্বে বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছেন । নাহিদুল হাসান নয়ন, সাধারন সম্পাদক, সম্মিলিত গার্মেন্টস শ্রমিক ফেডারেশন বলেন, দেশের এই নারী ও শিশু নির্যাতন এবং হত্যা বন্ধ করার জন্য সকল পুরুষদের অগ্রগামী ভূমিকা পালন করতে হবে। পুরুষদের মানসিকতার জায়গাটায় বিশাল পরির্বতন আনতে হবে।তবেই এই পরিবর্তন আনা স¤ভব

 

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!