
বড়াইগ্রাম পৌর মেয়র মাজেদুল বারী নয়ন বলেন, কিশোরীর তিন মাসের বয়সের সময় মা-বাবার মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। কিছুদিন পরে কিশোরীকে নানা আব্দুল মজিদ (৫০) কাছে রেখে অন্যত্র বিয়ে করে মা । সেখানে বিয়ের পর দুই সন্তান রেখে মারা যান তিনি। তিন সন্তান নানা-নানীর কাছেই লালন পালন হতো।
বুধবার রাতে ছোট বোন ঘুম পাড়িয়ে ঘরের তীরের সাথে ওড়না দিয়ে আত্তহত্যার চেষ্টা করে জাকিয়া। তাকে সেখান থেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয় তার। বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক নজরুল ইসলাম বলেন, প্রাথমিক ভাবে ধারনা করা হচ্ছে এটি আত্তহত্যা। লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য নাটোর সদর হাসপাতালের মর্গে প্রেরন করা হয়েছে। ময়না তদন্তের প্রতিবেদন আসার পর প্রয়োজনীন ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।