
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের কচুবাড়ী গ্রামে ফাল্গুনী নামে এক বিধবা মায়ের টাকা আত্মসাৎ এর অভিযোগ উঠেছে তার পুত্রবধুর বিরুদ্ধে। সদর উপজেলার কচুবাড়ী গ্রামের ফাল্গুনী বেওয়া(৭৫) চার কন্যা ও এক পুত্র সন্তানের জননী। চার কন্যা ও পুত্রের বিয়ে দেওয়া হয়েছে অনেক আগে। স্বামী মারা যাওয়ার পরে মানুষের বাড়িতে দিন মজুরের কাজ করে সে টাকা দিয়ে চলতেন তিনি। পরবর্তীতে ইউপি সদস্যের
সহযোগিতায় বিধবা ভাতার কার্ড পায় তিনি। এভাবেই তার সংসার চলে। গত ৫-৬ মাস ধরে বিধবা ভাতার টাকা মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে। নিজের মোবাইল ফোন না থাকায় পুত্রবধুর নম্বরে বিধবা ভাতার টাকা আসে। ২ বার ভাতার টাকা ঠিক ভাবে দেওয়ার পরে তৃতীয় বার ভাতার টাকা চাওয়ায় তার পুত্রবধু অস্বীকার করে বলে “সিম ভেঙ্গে দিয়েছি আর টাকা দিতে পারবো না”। ফাল্গুনী বেওয়া টাকা না পেয়ে বিষয়টি ইউপি চেয়ারম্যানকে
অবগত করেন। ফাল্গুনী বেওয়া জানান, মুই টাকা না পাইলে কি খায়ে বাচিম। মোর বেটা মোক খাওয়ায় না, উল্টা মোর টাকা টা মোক দেয় না। মুই কি তাহলে না খায়া মরিম। মোর শরীর চলে না মানুষের বাড়িত কাজ করিবা পারু না। টাকা না পাইলে মোক না খায়া থাকিবা হবে। চেয়ারম্যান বেটা কহিসে বৌমা টাকা দিয়ে দিবে, মুই এলাং টাকা পানু নাই। তেল, নুন, চাউল কিনিবার মত টাকা মোর নাই। ৬ নং আউলিয়াপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আতিকুর ইসলাম নজরুল জানান, আমি বিষয়টি শুনার পরে বিধবা মায়ের সাথে বাড়িতে গিয়ে দেখা করেছি এবং তার পুত্র ও বৌমাকে অনুরোধ করেছি টাকা টা দেওয়ার জন্য।

আরও পড়ুন
বদলগাছী উপজেলার ৩৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পথগুলো যেন মরণফাঁদ
ধুনটে ককটেল বিস্ফোরণ ও নাশকতার মামলায় এক আসামি গ্রেপ্তার
নাগরপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন, সবুজায়নের নতুন প্রত্যয়