প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৫, ২০২৬, ৩:৪৩ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ অগাস্ট ১০, ২০২১, ২:৫০ পি.এম
পাটগ্রামে মানবসেবায় দৃষ্টান্ত রাখলেন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী গোলাম রব্বানী প্রধান

মিজানুর রহমানঃ লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলায় বসবাসরত মানুষের ভাগ্য উন্নয়ন এবং জীবন বাস্তবতার সন্ধিক্ষণে মানুষ ও মানবতার জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তাদের মধ্যে অন্যতম তরুণ প্রজন্মের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ কর্মী দানবীর গোলাম রব্বানী প্রধান। গোলাম রব্বানী প্রধান তিনি প্রতিনিয়ত মসজিদ, মাদ্রাসা, এতিমখানা, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক সংগঠন,রাজনৈতিক সংগঠন, ক্রিড়া সংগঠন, দুঃস্থ অসহায়দের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা , সামাজিক কর্মকান্ড ও বিভিন্ন শ্রেণী পেশার ব্যক্তি পর্যায়ে সহযোগিতা করে আসছেন।
তিনি বিভিন্ন পর্যায়ের অসহায় দুস্থ অসহায় মানুষের জন্য দানবীর বন্ধু হিসেবেই পরিচিত। তিনি করোনা কালীন সময়ে অসংখ্য অসহায় পরিবারকে সহায়তা প্রদান করে সকলের নজর কেড়েছেন। এরেই ধারাবাহিকতায় তিনি চলতি সপ্তাহে হৃদরোগে আক্রান্ত পাটগ্রাম উপজেলার বাউরা আরেফা খাতুন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে অধ্যায়নরত নবম শ্রেণীর মেধাবী শিক্ষার্থী মোছাঃ তারজুনা আক্তারকে চিকিৎসা সহায়তা হিসেবে নগত ২ লাখ টাকা প্রদান করেন।
এসময় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ মোতাহার হোসেন এমপি, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এডভোকেট মতিয়ার রহমান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজ সেবক শ্রীরামপুর আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ্ব রফিকুল ইসলাম প্রধান এবং প্রধান শিক্ষক আব্দুস সাত্তার সহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও সেখানে সকলের উপস্থিতিতে বাউরা মুন্সিটারি জামে মসজিদ, আফতাব মোড় জামে মসজিদ ও জোংড়া ম্যাচের ঘাট জামে মসজিদের নির্মাণ কাজে মোটা অংকের আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। অপরদিকে তিনি বিভিন্ন রোগের আক্রান্ত বেশ কিছু অসুস্থ শিশু রোগীদের সুচিকিৎসা জন্য লোক মারফত বাড়ি বাড়ি চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করেছেন। সবকিছু মিলিয়ে সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকে তার এই ধারাবাহিক সহযোগিতায় বদলে গেছে অসংখ্য পরিবারের জীবন জীবিকার পথ। কর্মস্থলে ফিরছেন অক্ষম মানুষ জন। বেকার সমস্যা সমাধানে তার ভূমিকা প্রশংসনীয়।
এবিষয়ে গোলাম রব্বানী প্রধানের সাথে কথা হলে তিনি বলেন, আমি আমার মাঝে নয় আমি বেঁচে থাকতে চাই সেই সব মানুষের মাঝে যারা আমাকে মনে রাখবেন। আমি যা করছি এটা আমার কর্তব্য । এসব কিছু আলোচনার বিষয় নয়। আমি কাজের মানুষ। আমাকে কাজ করার জন্য সহযোগিতা করবেন।
তিনি আরও বলেন, সবাই ভালো থাকবেন। মাস্ক ব্যবহার করুন। টিকা নিন এবং স্বাস্থ্য বিধি মেনে চলুন। পরিবার পরিজন নিয়ে ভালো থাকুন। তবে চিকিৎসা সহায়তা হাতে পেয়ে তারজুনার বাবা মোঃ আজিজুল ইসলাম বলেন, আমি কি স্বপ্ন দেখছি। আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য ২ লাখ টাকা দিলেন। কে এই মহান ব্যক্তি। যাকে একটু দেখার সুযোগ হলো না। তিনি নিঃসন্দেহে একজন পরোপকারী মহা মানব। তার জন্য দোয়া রইলো। আমি ও আমার পরিবার সবাই তার কাছে কৃতজ্ঞ।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.