
তিনি আরো জানান, মঙ্গলবার দুপুর থেকে শহর রক্ষা বাঁধের পুরাতন জেলখানা ঘাট এলাকায় এ ধস শুরু হয়। দেড় ঘণ্টার মধ্যেই বাঁধের তিনটি স্থানে প্রায় ১২০ মিটার বাঁধ নদীতে বিলীন হয়ে যায়। বর্তমানে এ বিস্তৃতি বাঁধের সংযোগ রক্ষাকারী পাকা সড়কে এসে ঠেকেছে। এদিকে বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই সিরাজগঞ্জ শহর রক্ষা বাঁধে ধস নামায় শহরবাসীর মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ড অফিস সুত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ শহরকে যমুনা নদীর ভাঙ্গন থেকে রক্ষায় বঙ্গবন্ধু যমুনা সেতু প্রকল্পের আওতায় ১৯৯৭ সালে আড়াই কিলোমিটার দীর্ঘ এই শহররক্ষা বাধটি নির্মাণ করা হয়। ৩শ ৭৫ কোটি টাকা ব্যয়ে দক্ষিণ কোরিয়া ভিত্তিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান হুন্দাই লিমিটেড এই শহর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করে। নির্মাণকালে এই বাঁধটির স্থায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছিল একশ বছর। বাঁধটি নির্মাণের পর ১৯৯৭ সালে বাঁধের দায়িত্ব
এদিকে বাঁধ ধসের খবর পেয়ে সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মদ, পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম বিপিএম, জেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি এ্যাডঃ কে এম হোসেন আলী হাসান, কেন্দ্রীয় মহিলা আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ড. জান্নাত আরা তালুকদার হেনরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আনোয়ার পারভেজ, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক একরামুল হকসহ প্রশাসনের কর্মকর্তা এবং
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোডের্র নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শফিকুল ইসলাম জানান, টানা বর্ষণ ও নদীর পানির তীব্র স্রোতে ঘূর্ণাবতের সৃষ্টি হয়ে বাঁধের নিচ থেকে মাটি সরে সিসি ব্লকগুলো ডেবে গেছে। দুদিন আগেও আমরা এখানে ভালো অবস্থা দেখেছি। মঙ্গলবার আকস্মিকভাবে এ ধস দেখা দিয়েছে। বালুভর্তি জিওব্যাগ ফেলে ভাঙন নিয়ন্ত্রনে আনা হয়েছে। এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই বলে তিনি আশ্বস্ত করেন।

আরও পড়ুন
ধুনটে ১০ পিস ইয়াবাসহ এক ব্যক্তি গ্রেপ্তার, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা
রাতেও বন্যার্ত মানুষের পাশে এমপি আব্দুস সাত্তার
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী