
স্থানীয়রা জানান, জেলা কৃষকলীগের সভাপতি খন্দকার রফিকুল ইসলাম মাস্টারের অকাল মৃত্যুতে বিভিন্ন ভাবে ব্যানার ফেসটুনে শোক প্রকাশ করেন স্থানীয়রা। এরই ধারাবাহিকতায় ৯নং কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন প্রয়াত নেতা রফি খন্দকারের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে একটি শোক ব্যানার স্কুলের সামনে লাগিয়ে দেন। মঙ্গলবার গভীর রাতে কে বা কারা চক্রান্ত করে সেই ব্যানার থেকে মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেনের নাম ছিড়ে ফেলেছে।
স্থানীয়রা আরো জানান, ৯নং কালিয়া হরিপুর ইউনিয়নে জাহাঙ্গীর হোসেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে জনসাধারণের নিকট জনপ্রিয়। ইতি মধ্যে তিনি সবাই কাছে প্রিয় হয়ে উঠেছেন। এরই জের ধরে রাতে ওই শোক ব্যানার থেকে তার নাম কেটে ফেলা হয়েছে। এ বিষয়ে সদর উপজেলার ছাত্রলীগের সভাপতি (ভারপ্রাপ্ত) শাহারিয়ার হাসান রক্তিম বলেন, খন্দকার রফিকুল ইসলাম মাস্টার ছিলেন আমারে মুরুব্বি ও শ্রদ্বীয় ব্যক্তি। তিনি মারা যাবার পর জাহাঙ্গীর হোসেন একটি শোক ব্যানার দেন। নির্বাচনী প্রতিহিংসায় ওই ব্যানার ছিড়ে ফেলা হয়েছে।
এঘটনায় কালিয়া হরিপুর ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক আরিফুল ইসলাম, ৮নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি মো. বাহারুল ইসলাম, ৮ নং ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি মো. বাবু, ৬ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি বাবু মন্ডলসহ এলাকাবাসি প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিকট এই ধরণের অরাজনীতিদের আইনের আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।