
এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবে বিড়ি ভোক্তা পক্ষের সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। ১৭ জুন বৃহস্পতিবার বিকালে বি-বাড়িয়া বিড়ি ভোক্তা সমিতির সভাপতি মাসুদ মিয়া ও সাধারণ সম্পাদক হারুন মিয়ার আয়োজনে
ভৈরব টেলিভিশন জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন এর অফিসে উক্ত সংবাদ সম্মেলটি অনুষ্ঠিত হয়। সংবাদ সম্মেলনে বিড়ি ভোক্তা পক্ষের সমিতির সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন এসময় বিড়ি ভোক্তা পক্ষের সমিতির সভাপতি মাসুদ মিয়া সাংবাদিকদের বলেন, হাজার হাজার
পরিবার বিড়ি শিল্পের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে। এই শিল্পটি রাজস্ব প্রদানের মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখার পাশাপাশি দরিদ্র শ্রমিকদের কর্মসংস্থান করে দিচ্ছে। কিন্তু সিগারেটের নিম্নস্তরের শুল্ক বৃদ্ধি না হওয়ার কারনে বিড়ি শিল্প প্রায় ধ্বংসের পথে। ফলে হাওড় অঞ্চলসহ বিভিন্ন এলাকায় বিধবা, স্বামী পরিত্যক্তা ও পঙ্গু শ্রমিকরা কর্মের অভাবে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অপর দিকে সিগারেটের বিপর্যয়ের দিক ভিন্ন। সিগারেটের তামাক শুকাতে ও প্রক্রিয়াজাত করতে ২ লক্ষ ৬২ হাজার টন কাঠ লাগে যা বন
উজার করে সংগ্রহ করতে হয়। কিন্তু বিড়িতে কোন জ্বালানী প্রয়োজন হয় না। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক ভাবে বিড়ি প্রক্রিয়াজাত করা হয়। ভোক্তা পক্ষের সমিতির লোকজন সরকারের প্রতি দাবী জানিয়ে সাংবাদিকদের আরো বলেন যে, আগামী ২০২১-২০২২ অর্থবছরের বাজেট বিড়ির উপর গত অর্থবছরের বাজেটে বৃদ্ধিকৃত ৪ টাকা মূল্যস্তর প্রত্যাহার করতে হবে।সিগারেট যত দিন থাকবে বিড়িও ততদিন থাকবে। নিম্নস্তর ১০ শলাকা সিগারেটের মূল্য কমপক্ষে ৫০ টাকা করতে হবে এবং সকল বিড়ির ব্যবসা বন্ধ করতে হবে।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২