প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৬, ২০২৬, ১২:২০ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ জুন ১৪, ২০২১, ৬:১৬ পি.এম
রকিব ওয়েলফেয়ারের ঘর পেয়ে বেজায় খুশি আলমগীর

তাসনীমুল হাসান মুবিন, ত্রিশাল (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধিঃ ময়মনসিংহ জেলার ত্রিশাল উপজেলার ত্রিশাল পৌরসভার ৩ নং ওয়ার্ডে আলমগীর হোসেনের ঘর তৈরি করে দিয়েছে রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন। সেই ওয়ার্ডের আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যান বাড়ির সামনেই একটি ছোট্ট ঘরে বাস করেন মৃত আলাল উদ্দিনের ছেলে আলমগীর হোসেন। মা, স্ত্রী, ৩ সন্তান নিয়ে তার পরিবারের সদস্যসংখ্যা ৬ জন। কখনো রিক্সা-ভ্যান, কখনো চিতই পিঠা বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করেন। বিদ্যা, বুদ্ধি কম থাকার কারণে
এলাকায় অনেকে আলমগীর পাগলা বলে ডাকেন। সীমিত আয়ে ৬ জনের অন্ন, বস্ত্রের চাহিদা মেটাতেই শেষ হয়ে যায়। মাথা গুজার ঠাঁই টিনের চালা ফুটো হওয়ায় গড়িয়ে পানি পড়লেও চাল ঠিক তো দূরের কথা, মাটিতে লেগে থাকা টিন জং ধরে ক্ষয় হওয়ায় বড়বড় ফুটো দিয়ে কুকুর - বিড়াল প্রবেশ করলেও তা বদলাতে পারেননি আলমগীর হোসেন। সরকারি ঘর পাওয়ার জন্য আবেদন করার কথা বললে পৈত্রিক ভিটায় সরকারি ঘর তোলতে লজ্জাবোধ করেন আলমগীর হোসেন। আলমগীরের এই অসহায়ত্বের কথা জানতে পারেন মরহুম আব্দুর রশিদ চেয়ারম্যানের দৌহিত্র ও রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের অন্যতম দাতা ও সমন্বয়ক মোঃ মিনহাজ। তিনি
সংগঠনের অন্যান্য সদস্যদের সমর্থনে ঘর তৈরি করে তার চাবি আলমগীর হোসেনের কাছে হস্তান্তর করেন। এই চাবি হস্তান্তর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে চাবি প্রদান করেন মরহুম রকিবুল হাসান রকিবের পিতা আব্দুর রউফ সাবেক চেয়ারম্যান ত্রিশাল ইউপি ও আতাউর রহমান শামীম, বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ ও রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সদস্যবৃন্দ। উল্লেখ্য
রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে গরীব, অসহায়দের ৭টি ঘর, অসংখ্য দুস্থ ও অসহায়দের চিকিৎসার খরচ ও গরীব মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন শিক্ষা বৃত্তি দিয়ে এলাকায় ব্যাপক সুনাম কুড়িয়েছে। ঘর পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় আলমগীর হোসেন বলেন, "আমি বেজায় খুশি। আল্লাহ তাআলা রকিব ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশনের সকল সদস্যদের নেক হায়াত দান করুন যাতে তারা আমার মতো গরীব, অসহায়দের পাশে দাড়াতে পারেন।"
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.