
ইউনুছ রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের রৌমারীতে লোকাল গর্ভনমেন্ট ইনিশিয়েটিভ অন ক্লাইমেট চেইঞ্জ (লজিক) প্রকল্পের সোলার প্যানেলের মাধ্যমে কৃষি জমিতে সেচ ও পথচারিদের জন্য নলকুপ ও বন্যাকালিন সময়ে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানিয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করন করায় সুবিধা পাচ্ছে । রবিবার( ১৩ জুন) সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ২০৯-২০ অর্থ বছরের লজিক প্রকল্পের ৪৩ লক্ষ ৯৫ হাজার ৬৩২ টাকা ব্যয় কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করা
হয়েছে। খরা থেকে কৃষি জমি রক্ষা করতে দরিদ্র কৃষকের জন্য ফলুয়ার চর ও খনজনমারা এলাকায় ২৬ লক্ষ ৩৩ হাজার ৬৬০ টাকা ব্যয় ৩টি সোলার প্যানেলের মাধ্যমে কৃষি জমিতে সেচ সুবিধা, কুটিরচর এলাকায় ৯ লক্ষ ৮১ হাজার ১৬৮ টাকা ব্যয় বন্যাকালিন সময়ে নিরাপদ ও বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করণে একটি বন্যা সহিঞ্চু পানি শোধানাগার স্থাপন ও বিভিন্ন গ্রামের রাস্তার মোড়ে মোড়ে ৭ লক্ষ ৮০ হাজার ৮০৪ টাকা ব্যয় বন্যা কালিন সময়ে বিশুদ্ধ পানীয় জলের সরবরাহ নিশ্চিত করণে বন্যা সহিঞ্চু ২৭টি নলকুপ
স্থাপন করা হয়েছে। এই প্রকল্পে ওই এলাকার ৬০ জন কৃষি পরিবারের প্রায় ৭০ একর জমিতে পানি সেচ দেওয়া হচ্ছে। এতে পরিবারগুলো জ্বালানী খরচ থেকে অনেক রেহাই পাবেন। পাশাপাশি বন্যার সময়ে বিশুদ্ধ পানি নিশ্চিত ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন কয়েকটি গ্রামের মানুষ। এছাড়াও রাস্তার মোড়ে মোড়ে নলকুপ স্থাপন করায় পথচারীরা তাদের পানির চাহিদা মেটাতেও সক্ষম হবেন।
ফলুয়ারচর গ্রামের দরিদ্র কৃষক মোঃ সাইফুল ইসলাম বলেন আমাদের এলাকায় লজিক প্রকল্পের সোলার প্যানেলের মাধ্যমে যে কৃষি জমিতে সেচ পাম্প দিয়েছে তাতে এলাকার ৩৫টি দরিদ্র কৃষক বিনা খরছে সেচ সুবিধা পাচ্ছে।খনজন মারা গ্রামেন সফল কৃষক হারুনর রশিদ বলেন সরকার আমাদের মতো দরিদ্র কৃষকের জন্য যে সেচ শুবিদা দিচ্ছে এতে করে আমরা অল্প খরচে কৃষি জমি
আবাদ করতে পারছি। ৯ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য বিপ্লব হাসান জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী লজিক প্রকল্পের মাধ্যমে যে কাজগুলো করছেন তা এলাকাবাসির জন্য খুবই উপকাওে আসবে এবং আমি সরকারের কাছে আশা করি এ রকম প্রকল্প দিয়ে অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ করা যায়। বন্দবের ইউপি সচিব আমিনুল ইসলাম বলেন ,বাংলাদেশ সরকার লজিক প্রকল্পের মাধ্যমে যে কাজগুলো করছেন এতে বন্দবের এর জন সাধার মানুষ অনেক উপকৃত হয়েছে। এব্যাপারে বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান যুদ্ধাহত
বীরমুক্তিযোদ্ধা আব্দুল কাদের সরকার বলেন আমার ইউনিয়নে ৩টি সেচ পাম্প,১টি বিশুদ্ধ পানির শোধানাগার ও ২৭ টি নলকুপ সঠিক ও সুন্দর ভাবে স্থাপন করা হয়েছে। এতে করে আমার এলাকার দরিদ্র কৃষক স্বল্প খরচে চাষাবাদ করতে পারছে। বন্যার সময়ে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দেয়। এই প্রকল্পের অধিনে পানি শোধানাগার ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের জন্য বিভিন্ন স্থানে নলকুপ স্থাপন করা হয়েছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার আল ইমরান জানান, রৌমারী উপজেলার বন্দবেড় ইউনিয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী যে উদ্দেশ্যে লজিক প্রকল্প দিয়েছে তা সঠিক ভাবে বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন
মেজর হাফিজ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল
মাদক, চুরি-ছিনতাই ও অনলাইন জুয়া প্রতিরোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান
সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেলেন বুলবুল, বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান