
আওয়াজ অনলাইনঃ সীমান্তবর্তী জেলাগুলোতে করোনা সংক্রমণ বাড়ছে। এর সঙ্গে ভারতে যাতায়াতের একটি সম্পর্ক থাকতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট জেলার সিভিল সার্জনরা। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, পরিস্থিতি বুঝতে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় করোনা আক্রান্তদের জিনোম সিকোয়েন্স করার হার বাড়াতে হবে। স্থানীয়দের মধ্যে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। যশোর সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন ও সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডা. হুসেইন শাফায়েতের সাথে কথা বলে জানা গেছে, যশোরে করোনার সংক্রমণ বাড়ছে।
এ পর্যন্ত জেলায় ৬৬৮৯ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। তাদের মধ্যে ভারত ফেরত ৬৪ জন। যাদের ৮ জনের দেহে করোনার ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। খুলনায়ও বাড়ছে করোনা সংক্রমণ। ভারতীয় ধরণ সন্দেহে ১৯টি নমুনা পাঠানো হয়েছে ঢাকার আইইডিসিআরে। সাতক্ষীরায় ঈদের পর থেকে করোনা সংক্রমণ বেড়েছে। রাজশাহী ও চাপাইনবাবগঞ্জ জেলায় করোনা পরস্থিতির অবনতি হয়েছে।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন মোট করোনা রোগীর অর্ধেকের বেশি চাপাইনবাবগঞ্জের। মোট ৩০ জনের নমুনা আইসিডিডিআরবিতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম ইয়াজদানী। চুয়াডাঙ্গায় ভারতফেরত যাত্রীদের মধ্যে ১৫ জনের করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে। ঝিনাইদহে ভারত ফেরতদের করোনা সনাক্তের পর নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
আর সিলেটের সব স্থলবন্দর দিয়ে ভারত থেকে আসা যাওয়া বন্ধ থাকায় করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি কম বলে জানিয়েছেন জেলার সিভিল সার্জন। শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ জাহিদুর রহমান খান মনে করছেন, ঈদে মানুষের বাড়ি ফেরা আর ভারত থেকে দেশে ফেরা মানুষের কারনে সীমান্তবর্তী জেলাগুলোয় করোনা সংক্রমণ বাড়তে পারে। ভারত থেকে অবৈধভাবে দেশে ফেরাদের নিয়ন্ত্রণ করাই মূল চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
সংগৃহীত ছবি