
মামুন আহমেদ: নন্দীগ্রাম বগুড়া প্রতিনিধি: করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মোকাবিলায় সরকার ঘোষিত লকডাউনে বগুড়ার নন্দীগ্রাম দুস্থ্য অসহায় নিম্নবিত্তদের পাশে কেউ নেই। এমনকি ক্ষমতাসীন দলের পদপ্রত্যাশী ও বর্তমান এবং সম্ভাব্য চেয়ারম্যান-মেম্বার প্রার্থীরাও এ কঠিন পরিস্থিতিতে খাদ্য কিংবা আর্থিক সহায়তা দেয়ার খবর পাওয়া যায়নি। জানা গেছে, গত বছর করোনার সংক্রমণ ঠেকাতে ‘সাধারণ ছুটি‘ ঘোষণার পরই নন্দীগ্রাম উপজেলায় দুস্থ্য
অসহায়, কর্মহীন ও নিম্ন বিত্ত আয়ের মানুষের মাঝে সরকারি উদ্যোগে সহায়তা দেয়া হয়েছিল। এছাড়া সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছিল অনেক ব্যবসায়ী ও গণ্যমান্য নেতারা সহ আরো অনেকেই। করোনাভাইরাসের কারণে লকডাউনে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সেই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে বুঝিয়ে ঘরবন্দি করে রাখতে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, জনপ্রতিনিধিদের সরকারিভাবে নির্দেশ দেওয়া হয়। পরিবহন শ্রমিক শামীম হোসেন বলেন, আমার মতো অনেকে কমৃহীন হয়ে বসে আছেন। এখনো আমরা
কোন খাদ্য বা আর্থিক সহায়তা পাইনি। এভাবে চলতে থাকলে হয়তো আমাদের ধার করে চলতে হবে। ক্ষমতাসীন দলের ভাটরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোরশেদুল বারী বলেন, করোনা প্রতিরোধে মাস্ক ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার
বিতরণ করা হয়েছে। কয়েকদিনের মধ্যেই ব্যক্তি উদ্যোগে দুস্থ্য কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হবে। উপজেলা আওয়ামী লীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো: রফিকুল ইসলাম বলেন, বর্তমান করোনা কালীন সময়ে
সাধারণ মানুষের পাশে কেউ নেই। তবে আমি ব্যক্তি উদ্যোগে অচিরেই অসহায় মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেবো। এ বিষয়ে নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো: আবু তাহের বলেন, এই উপজেলায় কর্মহীন মানুষের সংখ্যা প্রায় ২৬ হাজার । এখন পর্যন্ত সরকারি ভাবে কোন বরাদ্দ অসেনি। তবে কয়েক দিনের মধ্য আসবে বলে শুনেছি। এ ছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে কেউ অসহায় মানুষের মধ্যে খাদ্য সহায়তা করেনি।

আরও পড়ুন
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে ছাত্রদলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে র্যাগিং ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাবি চুরির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া