
বগুড়ার শেরপুর উপজেলায় অন্যর বাড়িতে কাজের খোঁজে বের হয়ে ২৫ বছর বয়সী এক নারী গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। পুলিশ এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে। মামলার পরে তাদেরকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
শুক্রবার দুপুরে গ্রেফতার তিনজনকে আদালতে পাঠনো হয়েছে। এর আগে বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার বাগড়া হঠাৎপাড়া গ্রামে গণধর্ষণের এ ঘটনা ঘটে। এসময় ভুক্তভোগী নারীর চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওই তিনজনকে ঘটনাস্থল থেকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন।ভুক্তভোগী নারীর অভিযোগ, ধর্ষণকারী ছিল চারজন। স্থানীয়রা তিনজনকে আটক করতে পারলেও কৌশলে একজন পালিয়ে গেছেন।
এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে শেরপুর থানায় ভুক্তভোগী নারী বাদী হয়ে চারজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। গ্রেফতার তিনজন হলেন, বাগদা হঠাৎপাড়া গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে মামুন প্রামাণিক (৩৫), আবুল শেখের ছেলে আব্দুল খালেক (৫০) ও উত্তর সাহাপাড়া গ্রামের সাইফুল সরকারের ছেলে সোহাগ সরকার (২২)। অভিযুক্ত পলাতক আসামী হলেন দুলু শেখ (৩২)। তিনি উপজেলার বাগড়া চকপাতো গ্রামের বাসিন্দা।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ধর্ষণের শিকার ওই নারী বৃহস্পতিবার বিকেলে অন্যর বাড়িতে কাজের খোঁজ করতে নিজ বাড়ি থেকে বের হন। কাজ খোঁজা শেষে রাত ৮টার দিকে ফিরে যাওয়ার উদ্দেশ্যে উপজেলার ধুনট মোড় এলাকায় অটোরিকশার জন্যে দাঁড়িয়ে থাকেন তিনি। সেখানে অভিযুক্ত চারজনের সাথে তার কথা হয়। তারা তাকে এক
বাড়িতে কাজ পাইয়ে দিবে বলে তাদের সঙ্গে যেতে বলে। ওই নারী তাদের কথায় বিশ্বাস করে রাজি হন। পরে অভিযুক্তরা তাকে রিকশায় করে উপজেলার বাগদা হঠাৎপাড়া গ্রামে নিয়ে যান। সেখানে একটি পুকুরপাড়ে নিয়ে ওই নারীকে ধর্ষণ করেন অভিযুক্ত চারজন। জানতে চাইলে শেরপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আবুল কালাম আজাদ বলেন, তিনজনকে গ্রেফতার করে আদালতে পাঠানো হয়েছে। একজন পলাতক রয়েছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।