
পুলিশ সুপার জানান, উত্তর নারীবাড়ী মহল্লার নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা বেগমের মেয়ে ববি খাতুনের সাথে পূর্বে মালয়েশিয়ায় বসবাসরত আপন খালাত ভাই সোহেলের প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ৬ মাস পূর্বে সোহেল দেশে ফিরে এলে রাজবাড়ি জেলার আব্দুল আজিজের ছেলে সোহেলের সাথে ববি (২০) বিয়ে হয়। বিয়ের পরে ববি তার স্বামী সোহেলকে একটি মোটর সাইকেল কিনে দিতে চাপ দেয়। কিন্তু মা সেলিনা খাতুন দিতে অস্বীকার করে । এ নিয়ে মা
মেয়ের মধ্যে কলহ শুরু হয়। গত রবিবার ববি মায়ের বাড়িতে আসে এবং দুলাভাই আরিফুল ইসলামকে সাথে নিয়ে পুনরায় মোটর সাইকেলের জন্য চাপ দেয়। কিন্তু মা মোটর সাইকেল কিনে দিতে অস্বীকার করে। সর্বশেষ গত সোমবার বিকালে এ নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে ববি বেল্ড দিয়ে শুয়ে থাকা মায়ের গলায় শ্বাস নালী কেটে ফেলে। এর কিছুক্ষনের মধ্যে মায়ের মৃত্যু ঘটে। মায়ের মৃত্যুর পরে ববি বাড়ির পাশে একটি দোকানে গিয়ে কিছু কেনা
কাটা করে এবং সময় ক্ষেপন করে বাড়িতে ঘর ঘুলে চিৎকার শরু করে তার মাকে কে বা কারা হত্যা করেছে। সংভাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস।থলে উপস্থিত হয়ে ববিবে জেরা করে তার কথা বার্তায় অসংলগ্নতা পায় এবং বালতিতে ববির রক্ত মাখা কাপড় চোপর দেখে সন্দেহ হলে তাকে আটক করে। জিজ্ঞাসাবাদে ববি হত্যার কথা স্বীকার করে জানায় তার মাকে হত্যার পরে সে নয় ভরি স্বর্ণালংকার লুকিয়ে ফেলে। পরে আজ সকালে পুলিশ সেলিনা খাতুনের ঘরের
চৌকির নিচ থেকে রক্ত মাখা বেল্ড উদ্ধার করে। এ ঘটনায় গুরুদাসপুর থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। প্রেস ব্রিয়িংয় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক যুবায়ের, সিনিয়র পুলিশ সুপার জামিল আকতার এবং গুরুদাসপুর থানার ওসি আব্দুর রাজ্জাক।