প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৫, ২০২৬, ৪:১২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ ডিসেম্বর ১৫, ২০২০, ৬:৩৪ পি.এম
ভৈরবে সুজন হত্যার ঘটনায় থানায় মামলা

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব (কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জের ভৈরবের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের কান্দিপাড়ার সুজন হত্যার ঘটনায় সন্দেহ মূলক ভাবে ১২ জনকে আসামী করে নিহতের চাচা মধু মিয়া বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের করে।গত ১৩ ডিসেম্বর রবিবার মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা নং ১৯/৪৩৫।
উল্লেখ্য যে গত ১৩ ডিসেম্বর ভৈরব থেকে শিমুলকান্দি গামী সড়কের শিমুলকান্দি ইউনিয়নের মধ্যেরচরের রাস্তার মোড়ের সিড়ির ঘাটলার নিচে বন্দের মধ্যে থেকে হাত, পা ও মুখ বাধা অবস্থায় সুজনের মরদেহ উদ্ধার করে ভৈরব থানা পুলিশ।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায় যে, সুজন ঢাকায় একটি জুতার ফ্যাক্টরীতে কাজ করত। ঘটনার ৮/১০ দিন পূর্বে বাড়িতে এসে মধ্যেরচর তার শ্বশুর বাড়িতে বসবাস করছিল এবং একটি (অটোরিকশা) বিভাটেক চালাত। ঘটনার দিন ভোর বেলা তাকে কে বা কাহারা ভাড়া নিয়ে যাওয়ার কথা বলে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে যায়।
পরে উল্লেখিত স্থানে হাত, পা ও মুখ বাধা অবস্থা সুজনের মরদেহ পাওয়া যায়। স্বজনদের দাবী পূর্ব শত্রুতার জের ধরে পরিকল্পিত ভাবে সুজনকে মুঠোফোনে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে সুজনের চাচা মধু মিয়া বাদী হয়ে সন্দেহ মূলক ১২ জনকে আসামী করে ভৈরব থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করে।
সন্দেহ মূলক আসামীরা হলো-কান্দপাড়ার মৃত নরুল ইসলামের ছেলে বাছির মিয়া (৪০), মৃত মমতাজ উদ্দিনের ছেলে হাকিম মিয়া (৪০), হাকিম মিয়ার ছেলে মোঃ আলামিন মিয়া (৩৪), মৃত রাজা মিয়ার ছেলে হোসেন মিয়া (৪০), মৃত বাছির উদৃদিনের ছেলে আওয়াল মিয়া (৩৭), মৃত জয়নাল মিয়ার ছেলে আসাব উদ্দিন (৩৮), রইছ মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া (২৭), জজ মিয়ার ছেলে মোঃ শফিকুল মিয়া (২৬), শাহির মিয়ার ছেলে রিয়াদ মিয়া (২৮), ফারুক মিয়ার ছেলে সাব্বির মিয়া (২২), রাজা মিয়ার ছেলে ফুল মিয়া (৪৫) ও সুরুজ মিয়ার ছেলে কাউসার মিয়া (৪৫)।
এবিষয়ে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ শাহিন বলেন, উক্ত ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। সন্দেহ মূলক ভাবে ১২ জনকে আসামী করে মামলা রুজু করা হয়েছে। মামলা তদন্ত করে দোষীদের কে সনাক্ত করে আইনের আওতায় আনা হবে।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.