
করোনা সংক্রমণ এড়াতে সব ধরণের স্বাস্থ্যবিধি মেনে রিটার্ন দাখিলের ব্যবস্থায় আয়কর মেলার আয়োজন করেছে কর্তৃপক্ষ। করোনা মহামারির মধ্যে নারায়ণগঞ্জে এবারও বেড়েছে আয় করদাতার সংখ্যা। সরকার সুযোগ-সুবিধা বাড়িয়ে দেয়ায় আয়কর দেয়াসহ রিটার্ন দাখিলে উৎসাহী হয়ে উঠছেন কর্মজীবী মানুষ।
গতকাল বৃহস্পতিবার মেলা প্রাঙ্গণ ঘুরে দেখা যায়, সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত ছয়টি বুথের মাধ্যমে উন্মুক্ত পরিবেশে কর আদায় ও রিটার্ন গ্রহণ করছেন কর্মকর্তারা। ফতুল্লা’র সস্তাপুরে আয়কর বিভাগের নারায়ণগঞ্জ কর অঞ্চলের প্রধান কার্যালয় প্রাঙ্গণে ১ নভেম্বর থেকে ‘সবাই মিলে দিবো কর দেশ হবে স্বনির্ভর’ এই স্লোগান নিয়ে চলতি বছরের মাসব্যাপী আয়কর মেলার আয়োজন করা হয়।
এখানে মেলার পাশাপাশি উপজেলা পর্যায়ের সার্কেল অফিসগুলোতেও চলছে এই আয়োজন। প্রধান কার্যালয়ে সকাল থেকেই রিটার্ন দাখিল করতে আসছেন বিভিন্নস্তরের শিক্ষক, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ব্যবসায়ীসহ নানা শ্রেণী-পেশার সব বয়সের মানুষ। সেবার মান বাড়ানোয় করদাতারা স্বল্প সময়ে কর দিয়ে তাদের স্বীকারপত্রও নিতে পারছেন।
নারায়ণগঞ্জ অঞ্চলের কর কমিশনার নাজমুল করিম জানান, দুর্যোগ থাকা সত্তে¡ও এ বছর গত বছরের তুলনায় আয়কর রিটার্ন দাখিল বেড়েছে। এরমধ্যে প্রায় ২৫ হাজার করদাতা রিটার্ন দাখিল করেছেন। যার মাধ্যমে ৩৩ কোটি ৭৫ লাখ টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। কর আদায়ে এ বছর লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি। এই মেলায় আগামী ৩০ নভেম্বর সকাল ৯টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত সর্বস্তরের করদাতাদের রিটার্ন দাখিলের সুযোগ থাকবে।