
মোঃ মোকাদ্দেস হোসাইন সোহান, রায়গঞ্জ, সিরাজগঞ্জঃ- ‘মাছে ভাতে বাঙালি’- এই কথাটি বাংলাদেশের মানুষের ঐতিহ্যস্বরূপ। বাংলা বছরের কার্তিক অগ্রহায়ণ মাসে অর্থাৎ শীত আগমনী বার্তার পূর্বমুহূর্ত হেমন্তকালই জাল দিয়ে মাছ ধরার মৌসুম। সে সময় বিল বা জলাশয়ে হাঁটু পরিমাণ পানি থাকায় মাছ ধরতে সহজ হয়। ঠিক এই সময় সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আঞ্চলিক মহাসড়ক গুলোর দু’পাশে এবং বিভিন্ন জলাশয়ে মেতে ওঠে বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরার আনন্দে। গতকাল বুধবার উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে মাছ ধরার উৎসবে মেতে উঠেছিলেন উপজেলার আশ পাশের আত্বীয় স্বজন ও প্রতিবেশী।
যদিও আনুষ্ঠানিক ভাবে কোন দিনক্ষণ ঠিক না করলেও ফজরের নামাজ পর পরই যে যার মত করে হৈ হুল্লো করে ঠেলা জাল, বাঁশের তৈরী ধীয়াল এবং বিভিন্ন জাল দিয়ে মাছ ধরতে নেমে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মাছ প্রেমি জনসাধারণ। ঠেলা জালে বড় ধরনের কোন মাছ না পেলেও কমতি নেই ছোট ছোট মাছের ঝাঁক। প্রথমে সবাই এক যোগে মাছ ধরার চেষ্টা করলেও শেষ মুহুর্তে যে যার মত করে বিল বা জলাশয়ের এক প্রান্ত অন্য প্রান্তে মাছ ধরতে ছুটে চলেন। ঘন্টা খানেক পরেই পানী ঘোলাটে হলে মাছ ধরা সহজ হয়ে পড়ে যার ফলে ছোট বড় বিভিন্ন ধরনের মাছ ধরা সহজ হচ্ছে।
সেই মুহুর্তে বিল বা জলাশয়ের দু’পাড় সেই উৎসব উপভোগ করে শিশু ও কিশোর থেকে বিভিন্ন পেশা জীবি মানুষ। এদিকে মাছ মারতে আসা বৈকুণ্ঠপুর গ্রামের মোঃ জহুরুল ইসলাম বলেন, এখন বিল খাল বিল গুলোতে আগের মত মাছ পাওয়া না গেলেও মাছ ধরার আনন্দ কমতি নেই উপজেলাবাসীর।