
গোলাম রব্বানী দুলাল,আদমদীঘি উপজেলা প্রতিনিধি : বগুড়ার আদমদীঘির সান্তাহারে সরকার কর্তৃক আলুর মূল্য নির্ধারণ করে দিলেও মানছেন না ব্যয়সায়ীরা। নির্ধারিত মূল্য থেকে প্রায় ১৮ টাকা বেশি দামে বিক্রি করছে। যার ভুক্তভোগীহচ্ছেন জনসাধারণ। প্রায় প্রতিদিনই বৃদ্ধি পাচ্ছে কোন না কোন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। পিঁয়াজ, কাঁচা মরিচ, টমেটোসহ শাকসবজিও বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।
গত ১মাস আগে কাঁচাবাজারে পণ্যের দাম কিছুটা স্বাভাবিক থাকলেও এখন প্রতিকেজি ১৫-২০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বিশেষ করে হঠাৎ আলুর দাম বেড়ে কেজিতে এখন ৪৮ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর বাকিসবজিগুলোর বেশির ভাগ প্রতিকেজি বিক্রি হচ্ছে ১শ টাকার কাছাকাছি। এমন লাগামহীন দামে কিনে খাওয়া কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ছে নিম্নবিত্ত আর খেটে খাওয়া মানুষদের। ক্রেতারাবলছেন, কোনো পণ্যের দাম একবার বৃদ্ধি পেলে আর কমার লক্ষণ দেখা যায়না।
জানাযায়, আদমদীঘি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা সারমিন বাজার মনিটরিং করে প্রতিকেজি আলুর মূল্য হিমাগার পর্যায়ে ২৩, পাইকারী/আড়ত পর্যায়ে ২৫ ও ভোক্তা পর্যায়ে৩০টাকা নির্ধারণ করেছেন। কিন্তু কে মানে কার কথা। দাম নির্ধারণ করেও কোনো কিছুতেই ফলোদয় হচ্ছেনা। যতক্ষণ সরকারি কর্মকর্তারা থাকে ততক্ষণ দাম কম, চলে গেলেই বেশিএমনটাই জানিয়েছেন ক্রেতারা। অধিকাংশ বাজারে টাঙ্গানো নেই মূল্য তালিকা। যদিও বা কোথাও তালিকা থাকলেও এর কার্যকর নেই বললেই চলে। সান্তাহার পৌর শহরেরবাজারগুলোতে ঘুরে দেখাযায়, প্রতিকেজি আলুর মূল্য ৪৮, কাঁচা মরিচ ১৮০, পিঁয়াজ ৮০, পোটল ৭০, বেগুন ৭০, টমেটো ১৪০, করলা ৮০ টাকাসহ শাকসবজি বিক্রিয় করা হচ্ছে চড়াদামে।
দমদমা গ্রামের আরিফুল ইসলাম বলেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে মাসে বেতন ৭হাজার ২শ টাকা। পরিবারের ৬জন সদস্যের ১দিনের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্য কিনতে হিমসিমখাচ্ছি। কোনো রকমে জীবন পার করছি। দোগাছী গ্রামের মিজানুর রহমান বলেন, বাজারে জিনিসপত্র কিনতে গেলে পণ্যের দামশুনে চোঁখ কপালে ওঠার উপক্রম হয়। তবে কি আর করার জীবনে বেচে থাকলে হলে কিনে তোখেতেই হবে।
তবে আমাদের পক্ষে এত বেশি দামে কিনে খাওয়া খুব কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। এরপরও কম বেশি কিনে নিতে হচ্ছে।এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা সারমিন বলেন, দামতো বৃদ্ধি করাই যাবেনা। এ বিষয়ে কঠোর অবস্থানে আছি। বাজার মনিটরিং অভিযান চলমান আছে। আমি আজকেওমনিটরিংয়ে বের হবো এবং এ অভিযান প্রতিদিনই অব্যহত থাকবে।

আরও পড়ুন
রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে ছাত্রদলের সহ-সভাপতির বিরুদ্ধে র্যাগিং ও শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগ
তদন্ত প্রতিবেদন চাওয়াকে কেন্দ্র করে চাবি চুরির অভিযোগ, ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ
টাঙ্গাইলে এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলীর প্রশ্নবিদ্ধ পদায়ন উঠেছে, স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতা নিয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া