
সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি : সিরাজগঞ্জে ভোররাতে জমি দখলের উদ্দেশ্যে হামলা ও স্থাপনা ভাংচুর এবং লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে। ওই জমির উপর পুলিশের ১৫৪ ধারা নোটিশ উপেক্ষা করেই এমন ভাংচুর চালানো হয়েছে বলে দাবী অভিযোগ কারীদের।
মঙ্গলবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে সিরাজগঞ্জ শহরের পৌরসভা রোড এলাকার পৌর ভবন সংলগ্ন নির্মাণাধীন ঘর ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। গুলশান আরা কুমকুম অভিযোগ করে বলেন, শহরের ভূতের দিয়ার মৌজায় পৌরসভা রোডস্থ আরএস ১৮৯ নং খতিয়ানের ২৯০৩ দাগের ১.২৯১৯ একর, আর এস ২৯০৪ দাগের .০২৩১ একর ও ২৯০৩/৩০৩৯ নং দাগের .০৫০০ একর জমি আমার প্রয়াত শ্বশুড়ের খতিয়ানভুক্ত জমি। ওই জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে প্রতিপক্ষের সাথে মামলা চলে আসছিল। ২০১২ সালের ৩ মে তারিখে সোলেনামার মাধ্যমে আদালতের মধ্যস্থতায় রায় ও ডিক্রি নিস্পত্তি হয়। পরবর্তীতে উভয়পক্ষই ওই জমি খারিজ করে।
সোলেনামা ও রায়সূত্রে আমার শ্বশুড় মাহফুজুল হক .১৪২৫ একর জমি প্রাপ্ত হয়ে খাজনা খারিজ করে। কিন্তু আমার শ্বশুড়ের নামীয় ওই জমির উপর অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ ও দখলের জন্য দীর্ঘদিন ধরেই পায়তারা করছে প্রতিপক্ষ গোলাম হায়দার খোকা গং। এ অবস্থায় আমরা বাধ্য হয়ে পুলিশের শরণাপন্ন হই। চলতি বছরের ২২ সেপ্টেম্বর তারিখে পুলিশ ওই জমির উপর ১৫৪ ধারা জারী করেন এবং আদলাত বা স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মিমাংসার পরামর্শ দেন। এ অবস্থায় মঙ্গলবার ভোর রাতে আঁধার থাকতেই অতর্কিতভাবে আমাদের তৈরি করা ঘর ও স্থাপনার উপর ভাংচুর চালায় অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা।
ভাংচুরের সাথে সাথে আমাদের দোকানের ভাড়াটিয়া শহীদের গ্যারেজে লুটপাট করে হামলাকারীরা। গুলশান আরা কুমকুমের স্বামী টিএম আল-মামুন বলেন, ভোররাতে আমার মার্কেটের পাচিল ভেঙ্গে জায়গা দখলের পায়তারা করছে। তিনি বলেন, ওই জমি দখলের উদ্দেশ্যে রাতের আধারে গোলাম হায়দার খোকা গং ও ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসী বাহিনী দিয়ে এ কাজ করিয়েছে। সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মোকাররম হোসেন জানান, ভোররাতে ভাংচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। তবে ভাংচুরকারীরা পলিয়ে যায়।

আরও পড়ুন
কর্মসংস্থানের শর্তে মুচলেকা: সোনারগাঁয়ে মাদক ব্যবসা ছাড়লেন আরও এক ব্যবসায়ী
বগুড়ার কাহালুতে পুকুরের পানিতে ডুবে ভাই-বোনসহ তিন শিশুর মৃত্যু
মাদকসংক্রান্ত বিরোধে শ্যালককে রক্ষা করতে গিয়ে দুলাভাই নিহত, আহত ২