
মোঃ মাসুদ রানা রাশেদ, লালমনিরহাট:১৯ বছরেও এম.পি.ও হয়নি এখনও ৩শত ৫০জন ছাত্র-ছাত্রী অধ্যায়নরত রয়েছে। জানা যায়, লালমনিরহাট সদর উপজেলার মোগলহাট ইউনিয়নের ২নং ফুলগাছ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক-কর্মচারীদের মানবেতর জীবন যাপন। আরও জানা গেছে, ওই বিদ্যালয়টি ১/১/২০০০ইং সালে স্থাপিত হওয়ার পর প্রাথমিক অনুমতি পায় ১/১/২০০১ইং, একাডেমিক স্বীকৃতি ১/১/২০০৪ইং এবং ২০১১ইং সালে উচ্চ বিদ্যালয় হিসাবে পরিচালিত হয়ে আসছে। লালমনিরহাট সদরের ধরলা ও রত্নাই নদীর পাশে প্রত্যন্ত চর অঞ্চল ও জনবহুল এলাকায় অবস্থিত বিদ্যালয়টিতে ৬ষ্ঠ থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত প্রায় ৩শত ৫০জন ছাত্র-ছাত্রী রয়েছে।
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ হযরত আলী জানান, লালমনিরহাটের বিশিষ্ট রাজনীতিবিদ আ’লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম ইঞ্জিঃ আবু সালেহ মোহাম্মদ সাইদ দুলাল এর বিশেষ উদ্যোগ ও আলহাজ্ব আঃ রহমান এবং এলাকাবাসীর দেয়া ৭৫শতাংশ জমিতে স্থাপিত বিদ্যালয়টি শুরু থেকেই ফলাফলে সফলতা অর্জন করে আসলেও সারাদেশে নন-এম.পি.ও স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরী এম.পি.ও আওতায় নেওয়া হলেও লালমনিরহাট সদর উপজেলায় ওই সুনাম ধন্য প্রতিষ্ঠানটি এম.পি.ও না হওয়ায় ১৯জন শিক্ষক-কর্মচারী ও অভিভাবক মহলে হতাশা বিরাজ করছে।
অপরদিকে বড় বাসুরিয়া নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও সোনাতলা নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ মোট ১১টি বিদ্যালয় ও ৪টি মাদ্রাসা, লালমনিরহাট সদর থেকে এম.পি.ও-তে বাদ পড়েছে। ফলে ওই প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রায় ২শতজন শিক্ষক-কর্মচারীর মাঝে হতাশা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। এম.পি.ও না হওয়ায় কয়েক হাজার শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। শিক্ষক সমিতির নেতারা ও অভিভাবক মহল অবিলম্বে বাদ পড়া প্রতিষ্ঠানগুলোকে এম.পি.ও তে অর্ন্তভূক্তির জোর দাবী জানিয়েছে।