
শাহ এস এম ফরিদ: একুশে পদক প্রাপ্ত কিংবদন্তি বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম এর ১১তম প্রয়ান দিবস পালিত হয়েছে। বাউল শাহ আব্দুল করিম ১৯১৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজান ধল গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। ভাটি বাংলার কিংবদন্তি বাউল সম্রাট শাহ আব্দুল করিম পাঁচ শতাধিক গান লিখে সঙ্গীত অঙ্গন সমৃদ্ধ করেছেন। বাউল গানে অবদানের জন্য ২০০১ সালে একুশে পদক লাভ করেন লোকসঙ্গীত এর এই কিংবদন্তি বাউল শাহ আব্দুল করিম। ১১তম প্রয়াণ দিবসে বাউল শাহ আব্দুল করিম স্বরণ অনুষ্ঠান উপলক্ষে ১২ সেপ্টেম্বর শনিবার সন্ধ্যায় সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার উজান ধল গ্রামে শাহ আব্দুল করিম এর সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং প্রয়ান দিবসের আলোচনায় সাধক বাউল শাহ আব্দুল করিম এর কর্মময় জীবনের সফলতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন সুনামগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ।
এসময় গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আল-আমিন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সবিবুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) মোঃ জসীম উদ্দিন, দিরাই উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব মোঃ সফি উল্লাহ, বাউল শাহ আব্দুল করিম এর ছেলে শাহ নূর জালাল সহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের বিভিন্ন দফতরের কর্মকর্তাবৃন্দ, এলাকার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন । প্রয়ান দিবসের আলোচনায় জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ মুজিববর্ষে বাউল একাডেমি ১০০ জন বাউল ও কবিকে নিয়ে ৫০০টি বাউল গানের একটি বিশেষ প্রকাশনার উদ্যোগ গ্রহণের কথা ব্যক্ত করেছেন। করোনা পরিস্থিতিতে সীমিত পরিসরে এবছর ১১তম মৃত্যু বার্ষিকীতে মিলাদ মাহফিল, কবরে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা ও আলোচনা সভার মাধ্যমে পালন করা হয়েছে।