হোম » প্রধান সংবাদ » ভৈরবে আগানগরে চাচাত ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মালেক মিয়া, থানায় মামলা

ভৈরবে আগানগরে চাচাত ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ মালেক মিয়া, থানায় মামলা

এম আর ওয়াসিম, ভৈরব(কিশোরগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবে আগানগর ইউনিয়নের নবীপুর গ্রামে আপন চাচাত ভাইয়ের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে থানায় মামলা করেছেন মালেক মিয়া নামে এক ব্যক্তি। মালেক মিয়ার পিতার নাম মৃত আহাম্মদ মিয়া। মালেক মিয়ার চাচাত ভাই কামাল মিয়া একই সীমানায় বসবাসরত মৃত মাহমুদ মিয়ার পুত্র।

মালেক মিয়া অভিযোগ করে বলেন, কামাল আমার চাচাত ভাই হলেও সে দীর্ঘদিন ধরে আমার উপর অন্যায় অত্যাচার ও জুলুম করে আসছে। তার উদ্দেশ্য হলো ছলে, বলে কৌশলে আমাকে এই বাড়ি থেকে উচ্ছেদ করে আমার বাড়িটুকু দখল করে নেয়া। এই উদ্দেশ্যে সে বহুবার আমি সহ আমার পরিবারের সদস্যদের উপর হামলা চালিয়ে আসছে। পাশের বাড়ির শক্তিশালী বংশ ওজি বাড়ি কামালের নানির বাড়ি হওয়ায় তে ক্ষমতার দাপট দেখিয়ে আসছে দীর্ঘ বছর ধরে। তাছাড়া আশপাশের কিছু দালাল প্রকৃতির লোকের সিন্ডিকেট চক্রের নিকট আমরা জিম্মি। এছাড়াও পৌর এলাকায় রয়েছে তাদের লাঠিয়াল বাহিনী।

গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার আতর্কিত ভাবে কামাল তার নানি বাড়ির লোকজন ও পৌর এলাকার লাঠিয়াল বাহিনী নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ আমার বাড়িতে আক্রমণ চালিয়ে আমার বাড়ি-ঘর ভাংচুর লুটপাট করে। এসময় আমি আমার ছেলে, স্ত্রী, ও আমার ছেলের বউ মারাত্মক ভাবে জখম হয়। এসময় আমার ছেলের বউ শারমিনের একটি হাত ভেংগে যায়। এঘটনায় আমি নিজে বাদী হয়ে ভৈরব থানায় একটি মামলা দায়ের করি। যার নং ৮(৯)২০। আমি দেশ, দশ, আইন প্রশাসন ও মাননীয় সরকারের নিকট এই অত্যাচারের বিরুদ্ধে বিচার প্রার্থনা করছি। কামাল বাহিনীর লোকজন পুলিশ সাংবাদিক কাউকেই তোয়াক্কা করে না বলেও জানা যায়।

মামলার এজাহার মতে জানা যায় জানা যায় যে গত ২ সেপ্টেম্বর বুধবার দুপুর ২ টার সময় কামাল বাহিনীর লোকজন চুরি, ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের উদ্দেশ্যে বেআইনী ভাবে জনতাবদ্ধে মালেক মিয়ার বাড়িতে অনধিকার প্রবেশপূর্বক খুন করার লক্ষ্যে মালেক মিয়ার বাড়িতে প্রবেশ করে  সাধারন ও গুরুতর আঘাত সহ মারাত্মক কাটা জখম করে আনুমানিক সাড়ে ৪ লক্ষ টাকার জিনিস পত্র লুটপাট করে নিয়ে যায়।

এবিষয়ে জানতে চাইলে আগানগর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের প্রতিনিধি মোসা মেম্বার বলেন, মালেক মিয়া ও কামাল মিয়ার মাঝে জমি সংক্রান্ত বিরোধ চলছে দীর্ঘ দিন যাবত। এবিষয়ে আমরা এলাকার মানুষ কয়েকবার শালিশের মাধ্যমে মিমাংশা করার চেষ্টা করেছি কিন্তু শালিশের সিদ্ধান্ত তৎক্ষনাৎ মানলেও পরবর্তীতে তারা শালিশের সিদ্ধান্ত  আমলে না নিয়ে পুনরায় দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জনাব মোঃ শাহিন বলেন, আমি বিষয়টি অবগত রয়েছি। এবিষয়ে ৯জনকে আসামী করে  একটি মামলা রুজু করা হয়েছে। আসামীদের কে গ্রেফতার করার জন্য চেষ্টা চলছে।

শেয়ার করুন আপনার পছন্দের সোশ্যাল মিডিয়ায়
error: Content is protected !!