প্রিন্ট এর তারিখঃ জুলাই ২৪, ২০২৬, ৫:০২ এ.এম || প্রকাশের তারিখঃ সেপ্টেম্বর ৪, ২০২০, ৩:২০ পি.এম
বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি দখল করে টাকার বিনিময়ে অন্যত্রে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে

এম.এ রাশেদ বগুড়া জেলা প্রতিনিধিঃ বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিকগ্রহনকৃত জমি দখল করে টাকার বিনিময়ে অন্যত্রে হস্তান্তরের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি ঘটেছে উপজলা সদর ইউনিয়নের দিঘলকান্দি গ্রামে। স্থানীয় সুত্রে জানা যায়,ওই গ্রামের মৃত তমিজ উদ্দিনের ছেলে নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ বাংলা দেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিকগ্রহনকৃত জমি দখল করে বসতবাড়ি করে আসিতেছিল।
বর্তমান তার বসতবাড়ী জমিসহ একই গ্রামের জল্লু প্রামানিকের ছেলে শাপিন এর নিকট মৌখিক সাড়ে ৬ লাখ টাকার দরদাম মিটিয়ে তাকে দেওয়ার খবর জানতে পেয়ে তার প্রতিবেশি রিক্সা চালক দুলাল প্রামানিক এই জানান।তিনি আরো জানান, আমি নুরুল ইসলাম এর কাছে থেকে কয়েক বছর আগে জমি কিনেছি। সে বলেছিল আমাকে বাড়ী থেকে বেড় হওয়ার জন্য রাস্তা দেবে।দুঃখের বিষয় পরে সে আমাকে বাড়ী থেকে বেড় হতে আর রাস্তা দেয়নি।আমি বললে নরুল ইসলাম ও তার মেয়ে জামাই সহ সবাই বলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমি টাকা দিয়ে কিনেছি।রাস্তা নিতে হলে আমাকে টাকা দিয়ে নিতে হবে।
এমন সংবাদ পেয়ে সরে জমিনে গেলে স্থানীয় বাসিন্দা,প্রতিবন্ধী কুরানু, গ্রাম পুলিশ সদস্যের স্ত্রী, ও জলিল প্রামানিকসহ অনেকেই গণমাধ্যম কর্মিদের বলেন, পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাস জমিতে আমাদের রাস্তা হাটতে দেন না।অথচ ওই জল্লু প্রামানিকের ছেলে শাপিনের কাছে সাড়ে ৬ লাখ টাকা দরদাম মিটিয়েছে বিক্রি করার জন্য। সে যদি খাস জমি কিনে নেয় আমাদের আর বাড়ী থেকে বের হতে দেবেনা বলে জানান।
এবিষয়ে নুরুল ইসলামের সাথে কথা হলে তিনি বলেন,আমিও এই খাস জমি এক জনের কাছে থেকে কিনে নিয়েছিলাম।অনেক দিন বাড়ী করে থাকলাম।এখন আমার ছেলে ঢাকায় থাকে আর মেয়েরা শশুর বাড়ীতে থাকে। তাই সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমার বসতবাড়ি ও জমি সহ কাউকে দিয়ে আমার মেয়েদের বাসায় চলে যাবো বলে জানান তিনি।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড বগুড়ার সারিয়াকান্দি সাব ডিভিশন ইন্জিনিয়ার আব্দুর রহমান তাসকিয়ার সাথে এবিষয়ে কথা হলে তিনি বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করলে তদন্ত করে ঘটনা সত্যি হলে ওই ব্যাক্তির বিরুদ্ধে আইনানুযায়ী ব্যাবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।
Copyright © 2026 GonoManusherAwaj.com-দৈনিক গণমানুষের আওয়াজ. All rights reserved.